,

টানা ১২ বছরে নরেন্দ্র মোদী, দরিদ্র কল্যাণেই গড়লেন নতুন ভারত

বিশেষ প্রতিবেদন। ৯ জুন: ১০ জুন ২০২৬ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শাসনকালের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে টানা ১২ বছর পূর্ণ করবেন তিনি। গত বারো বছরে দেশের শাসনের চেহারাই পাল্টে গেছে। প্রতিটি নীতি, প্রতিটি প্রকল্পের কেন্দ্রে ছিল দেশের গরিব মানুষ, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ, যারা এতদিন উন্নয়নের মূল স্রোত থেকে দূরে ছিল। উন্নয়নের আলো…

বিশেষ প্রতিবেদন। ৯ জুন: ১০ জুন ২০২৬ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শাসনকালের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে টানা ১২ বছর পূর্ণ করবেন তিনি। গত বারো বছরে দেশের শাসনের চেহারাই পাল্টে গেছে। প্রতিটি নীতি, প্রতিটি প্রকল্পের কেন্দ্রে ছিল দেশের গরিব মানুষ, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ, যারা এতদিন উন্নয়নের মূল স্রোত থেকে দূরে ছিল। উন্নয়নের আলো যেন দেশের শেষ গ্রামের শেষ বাড়িটিতেও পৌঁছায়, এই ভাবনাই ছিল প্রতিদিনের কাজের প্রেরণা। জনধন যোজনার হাত ধরে প্রায় ৪০ কোটি মানুষের প্রথমবার ব্যাংকের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে, নিজের নামে খাতা খুলেছে কোটি কোটি মানুষ। সরাসরি সুবিধা পৌঁছানোর পথে জনগণের ব্যাংক খাতায় জমা পড়েছে মোট ৩৪ লক্ষ কোটি টাকা। এই নতুন পদ্ধতিতে মাঝের দালি, ফাঁকি ফোকর অনেকটাই বন্ধ হয়েছে। ফলে সরকারি খরচে এসেছে স্বচ্ছতা, আর বেঁচে গেছে প্রায় ২.৭ লক্ষ কোটি টাকা, যা দেশের কাজেই আবার লেগেছে। মাথার উপর ছাদ দেওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় নতুন করে আরও ২.৩৫ লক্ষ পরিবারের জন্য পাকা ঘর তৈরির অনুমতি মিলেছে। গ্রাম বাংলার প্রতিটি ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে জল জীবন মিশনের সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৮ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে, যাতে কাজ অসম্পূর্ণ না থাকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত বারো বছরের কাজের ধরন ছিল একেবারে স্বতন্ত্র। ইতিহাসে কাউকে জাতি গড়ার রূপকার বলা হয়, কাউকে বাজারের সংস্কারক, কাউকে মিলনের প্রতীক। আর এই সময়কে তারা চিহ্নিত করছেন সভ্যতার আধুনিক রূপ দেওয়ার যুগ হিসেবে। অনেক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও গবেষকের মতে, এই নেতৃত্ব দেশকে এক নতুন অধ্যায়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, যাকে তারা দ্বিতীয় সাধারণতন্ত্র বলছেন। নরেন্দ্র মোদীর শাসন কেবল ফাইলের স্তূপ আর দপ্তরের কাজে আটকে থাকেনি। তিনি দেশের শাসনব্যবস্থাকে পরিণত করেছেন মানুষের অংশগ্রহণের এক জাতীয় জাগরণের অভিযানে। দেশের সাধারণ মানুষ নিজের পরিচয়কে নতুন করে চিনেছে, নিজের লক্ষ্যকে স্থির করেছে, আর নিজের সাংস্কৃতিক শিকড়কে আঁকড়ে ধরে দেশ গড়ার কাজে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *