ডিপ স্টেট,আইএস আই,জইস ই মহম্মদ যোগাযোগ
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা : বর্ধমান, ঝাড়খণ্ডে ধৃত হালিম, অর্পিতা,আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গেছে তারা পুলিশের পোশাকে দিল্লীর যন্তর মন্তরে ব্যপক হিংসা ও হাঙ্গামা করার ছক কষেছিল পাকিস্থানের জঙ্গি জয়েস ই মহম্মদের নির্দেশে। এবারে আরও ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসের পাক লিংক সামনে এসে গেছে।
গত ২৬ শে জুলাই দুজন ব্যক্তি রেল লাইনের উপর CC tv ক্যামেরা লাগানোর সময় রেল পুলিশের হাতে ধরা পড়ে, জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা পাকিস্তানের আইএসআই এর জন্য কাজ করছে। ভারতের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে এবং বিভিন্ন জায়গার ভিডিও করে সেই ফুটেজ তারা সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দিত, যাতে ওপারের সন্ত্রাসবাদীদের ভারতের বুকে রক্তাক্ত আঘাত করার পরিকল্পনা একেবারে ফুল প্রুফ হয়। পুলিশ সেই সূত্র ধরে তদন্ত করতে করতে দেখতে পায় এই চক্রান্তের তার একেবারে গিয়ে যন্তর মন্তরে জুড়ে যাচ্ছে।
কিছুদিন আগেই আমরা এই পত্রিকায় লিখেছি, কয়েকদিন আগে আমাদের পশ্চিমবঙ্গে হামিম মন্ডল আর অর্পিতা সরকার নামক দুজন পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যারা পাকিস্তানের আজাহার মাসুদ আজাহারের জইশ ই মোহাম্মদ, আইএসআই এবং শেহজাদ ভাট্টির হয়ে কাজ করছিল। এই হামিম মণ্ডল কে দিয়ে যন্তর মন্তরে নাশকতার ছক করছিল পাকিস্তান, তার ওপর আবার এক ঝাঁক অর্থাৎ প্রায় নয় জন পুলিশের জালে ধরা পড়েছে এই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কারনে।
এদিকে রেল লাইনে ধরা পড়া ওই দুজনের সূত্র ধরে তদন্ত করতে করতে পুলিশ জানতে পারে যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে দিল্লির যন্তর মন্তর এবং তার আশেপাশের অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকা গুলোতে নাশকতামূলক কাজকর্মের ভয়ংকর পরিকল্পনা ছিল সন্ত্রাসবাদীদের। পুলিশ ২০২৬ সালের ৪ আগস্ট অমৃতসরে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানায় যে তারা পাকিস্তানের আইএসআই-সমর্থিত দুটি জঙ্গি মডিউল ভেঙে দিয়েছে এবং মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে চারজন নাবালক। অমৃতসর পুলিশ কমিশনার গুরপ্রীত সিং ভূল্লার বলেন, তদন্তে জানা গেছে এই চক্রের সদস্যরা বিদেশে থাকা আইএসআই ঘনিষ্ঠ হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাজ করছিল এবং তাদের কাছ থেকে অর্থ ও অন্যান্য সহায়তাও পাচ্ছিল। পেটিএম ব্যবহার করে ওদের কাছে নাশকতা মূলক কাজকর্ম করার জন্য অর্থ পাঠানো হচ্ছিল। আর এই তথ্য কিন্তু আম আদমি পার্টির পাঞ্জাব পুলিশ দিয়েছে। কোন বিজেপি শাসিত রাজ্যের পুলিশ নয় কিন্তু। সেটা হলে এতক্ষণে সারাদেশে প্রচার চলত যে বিজেপি সরকার শেষমেশ সামলাতে না পেরে ছাত্রদেরকে সন্ত্রাসবাদী বলে দাগিয়ে দিচ্ছে।

পুলিশের দাবি, এই জঙ্গি মডিউলের আট সদস্য ট্রেনে করে দিল্লির যন্তর মন্তরে পৌঁছেছিল। সেখানে চলা নিট নিট আন্দোলনের ভিড়কে কাজে লাগিয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল। স্থানীয় সহযোগীদের কাছ থেকে হামলার সামগ্রীও তারা পেয়েছিল, কিন্তু যন্তর মন্তরে কড়া পুলিশি প্রহরা থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি, পরে তদন্তে এই ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। পুলিশ অথবা আন্দোলনকারী যেকোনো একদিকের একটা মৃতদেহ তথা লাশ পড়লেই দেশকে ভয়ংকর আগুন লাগানো থেকে কেউ বাঁচাতে পারতো না —কি মারাত্মক ষড়যন্ত্র! জিজ্ঞাসাবাদের সময় পুলিশকে তারা আরো জানায় যে যন্তর মন্তরে বিশেষ করে পুলিশ, নিরাপত্তা রক্ষী, আরপিএফদের আক্রমণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এই ৮ সদস্যকে।
পুলিশের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৩টি অবৈধ পিস্তল, ৯ রাউন্ড জীবন্ত কার্তুজ এবং ৪টি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে আরও জানা যায়, অভিযুক্তরা নিরাপত্তা বাহিনীর স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গার ভিডিও তুলে বিদেশে থাকা আইএসআই সমর্থিত হ্যান্ডলারদের পাঠাত। এছাড়া তাদের কাছে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের ডিজিটাল প্রমাণও মিলেছে। পুলিশের বক্তব্য, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও বিস্ফোরক নাশকতার প্রস্তুতির স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় এবং গোটা চক্রের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়টি তদন্তে উঠে আসছে।
ভারতে ক্ষমতার পরিবর্তন করার জন্য আমেরিকার সিআইএ ও জর্জ সোরোস এর ডিপ স্টেট পাঠিয়েছিল আরশোলা আর পাকিস্তানের আইএসআই পাঠিয়েছিল সন্ত্রাসবাদী। একেবারে পাক্কা পরিকল্পনা ছিল, শুধু দিল্লি পুলিশের একটা ভুলের অপেক্ষা ছিল তাহলেই বাজিমাত হয়ে যেত। এমনিতেও যন্তর মন্তর এবং তার আশেপাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কিছু সরকারি ভবন রয়েছে, যেমন পার্লামেন্টে হাউস, প্রায় ১.২ কিমি, নর্থ ব্লকে প্রায় ১.৮ কিমি, সাউথ ব্লক, প্রায় ১.৯ কিমি, রাষ্ট্রপতি ভবন প্রায় ২.৩ কিমি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (সাউথ ব্লকের ভিতরে) — প্রায় ১.৯ কিমি, কর্তব্য পথ — প্রায় ১.৫ কিমি, ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল — প্রায় ২.১ কিমি, নীতি আয়োগ — প্রায় ১.৭ কিমি, নির্বাচন কমিশন — প্রায় ১.৪ কিমি, সুপ্রীম কোর্ট অফ ইন্ডিয়া — প্রায় ২.৮ কিমি –হয়তো এগুলোর ওপরেও সন্ত্রাসবাদীদের নজর ছিল।
এর আগে ১৩ ডিসেম্বর ২০০১ সালে পার্লামেন্ট হাউসে পাঁচজন সশস্ত্র জঙ্গি হামলা চালায়, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে পাঁচ জঙ্গিই নিহত হয়। কিন্তু পাঁচজন জঙ্গির হামলায় সংসদ ভবন রক্ষার্থে ৯ জন নিরাপত্তাকর্মী ও এক কর্মচারী প্রাণ হারান।
অথচ এদিন আরশোলারা কয়েক হাজার আরশোলা সহ কিছু সন্ত্রাসবাদী নিয়ে সংসদ ভবনের ১০০ মিটারের মধ্যে পৌঁছে গেছিল –কি উদ্দেশ্যে তারা সংসদ ভবনের ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করছিল?? আর সংসদের ভেতরে কিছু বিদেশের দালাল সওয়াল করছিলেন যে সংসদের মেনগেট কেন বন্ধ করা হলো!! কেন আন্দোলনকারীদের জন্য খুলে দেওয়া হল না?? এতে নাকি গণতন্ত্রের অধিকার খর্ব হয়েছে । অর্থাৎ আবার সংসদ ভবন হামলা করে নাশকতার ছক করা হয়েছিল —সে বিষয়টা একেবারে পরিষ্কার। শুধু কি সংসদ ভবন নাকি তার আশেপাশের আরো গুরুত্বপূর্ণ কোথাও হামলার ছক ছিল সেটা অদূর ভবিষ্যতে তদন্তে পরিষ্কার হবে।
শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ নেপালে ক্ষমতা পরিবর্তন করার পরে সিআইএ অথবা আই এস আই এর এত সাহস বেড়ে গেছিল যে তারা দিল্লির জনবহুল এলাকায় সন্ত্রাস চালিয়ে ভারত সরকারকে অস্থির করার চেষ্টা চালিয়েছে।
বাংলাদেশ থেকেও বহু সুবুদ্ধি সম্পন্ন সাংবাদিক জানিয়েছেন, “আমরা ভারতের জন্য চিন্তিত, আমরা আমাদের দেশের ছায়া পুরো দিল্লির যন্তর মন্তরে দেখতে পাচ্ছি।” ভাববেন না, যে ওই কমেন্টগুলো শুধুমাত্র হিন্দুরা করতেন, না না কমেন্ট হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে যারাই রাষ্ট্রবাদী বাংলাদেশী, যারা নিজেদের মাতৃভূমিতে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে চান তারাই লিখেছেন এবং ভারতের জন্য দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন । আসলে ঘর পোড়া গরুরাই তো সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। তাদের দুশ্চিন্তা দেখে পরের দিকে আমারও প্রচন্ড চিন্তা হয়ে গেছিল যে এই আন্দোলন এর গতিপ্রকৃতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে যাবে –সেটা ভেবে। যাই হোক দিল্লী পুলিশ আরপিএফ অথবা যারাই পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে ছিলেন এবং এই কঠিন সময়টি এত সুন্দরভাবে, গুলি না চালিয়ে পরিস্থিতি সামলে নিয়ে দেশকে নিরাপদে রেখে পার করে দিয়েছেন তাদের ধন্যবাদ দিতেই হবে।
যখন দ্বিতীয় বার যন্তর মন্তরে আরশোলাদের মঞ্চ বেঁধে আন্দোলন করার অনুমতি দেওয়া হয় তখন অনেকই প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিলেন। প্রশ্ন উঠেছে বিদেশ থেকে মাত্র ৪ জন অজানা এসে সরাসরি একদিন জন্তর মন্তরে হয়ে গেছিল আন্দোলনের নেতা। তারপর ঘুরে ঘুরে দেশের বিভিন্ন শহরে হল, তো দ্বিতীয় বার আবার যন্তর মন্তরে কেন?? বিশেষজ্ঞদের মতে শুরুতেই যদি এদেরকে থামিয়ে দেওয়া হতো তাহলে মোদীজি ছাত্র আন্দোলনে বল প্রয়োগ করলেন —বলে প্রচার করা হতো। বিশেষ করে বামপন্থী ও বিরোধীদের পক্ষ থেকে। বলা হতো ছাত্রদের বাক স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে, দেশে গণতন্ত্র নেই, তাতে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার জন্য দেশবাসীর যত রকমের ক্ষোভ বিক্ষোভ গিয়ে পড়তো মোদি সরকারের ওপর। তাই নাশকতামূলক হামলা চলতে পারে জেনেও মোদিজি এবং অমিত শাহ সমস্ত রকম প্রটেকশন নিয়ে যন্তর মন্তরে আন্দোলন চলতে দিয়েছেন। যাতে কারো মনে না হয় যে ছাত্রদেরকে যথেষ্ট বাক স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে না এবং দেশবাসীর সামনে এই আন্দোলনের পেছনের নগ্ন রূপটা আসে।
আর ঠিক সময়ে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ করিয়ে, সোনাম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে গিয়ে, পাথরবাজদের দিয়ে ডান্ডা মেরে একেবারে ঠান্ডা করে দিয়ে মোটামুটি এ যাত্রা দিল্লিকে রক্ষা করা হলো। সে কারণেই বোধহয় পদত্যাগ করেধর্মেন্দ্র প্রধান জানালেন দেশবিরোধী শক্তিকে হাওয়া না দিয়ে, দেশ বিপদে পড়ার আগে তিনি সরে গেলেন। এই যে আমরা এত চিৎকার করছি যদি শুরুতেই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতেন তাহলে এত সমস্যা হতো না। কিন্তু এটাও সত্যি শুরুতে তিনি পদত্যাগ করলে দেশবিরোধী শক্তিদের স্বরূপ দেশবাসীর সামনে আসতো না। এখানেই বোধহয় সাধারণের সাথে মোদীজি এবং অমিত সাহজি এর অসাধারণ বুদ্ধির পার্থক্য ।
যন্তর মন্তরে যেমন সন্ত্রাসবাদীদের ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করলেন দিল্লী পুলিশ তেমনি বাকি দেশের অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, পাঞ্জাব পুলিশ সন্ত্রাসবাদীদের ধরপাকড় শুরু করেছে। তাছাড়া যন্তর মন্তরের চারিদিকে সিসিটিভি লাগিয়ে, চোখে এই আই চশমা পরে, ফ্রেশ রেকগনাইজেশন সিস্টেম লাগিয়ে, বডি কেম নিয়ে দিল্লী পুলিশ ঐদিন যন্তর মন্তরে ২৮০০ এর বেশি গুরুতর অপরাধে অভিযুক্তদের উপস্থিতিও দেশবাসীকে জানালো। ওদিকে আরশোলা মুখপাত্র সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কপিল সিব্বল ক্রমাগত লড়ে গেলেন যে যন্তর মন্তরে উপস্থিত কারোর বিরুদ্ধে কোনরকম পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। অর্থাৎ কোন সন্ত্রাসবাদী এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিতে চরম বাধা দিচ্ছে ওই আরশোলা মুখপাত্র!! কার স্বার্থে সে সন্ত্রাসবাদীদের আড়াল করছে? সে বুঝতে পারছে না এটা করে সে তার নগ্ন রূপও দেশবাসীকে দেখিয়ে ফেলছে। এমনিতেও পাঁচতারা পার্টিতে তার উদোম নৃত্য দেখার পরে দেশবাসীর কাছে তার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রায় তলানিতে ঠেকেছে। তার ওপর ঝাড়খন্ড পাঞ্জাব কর্নাটকের ছাত্রদের জন্য কোনরকম প্রতিবাদ নেই, আন্দোলন নেই আবার সরকারকে চাপ দিচ্ছে, কোটি কোটি টাকার উকিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়ছে এই বলে যে আন্দোলনে উপস্থিত কোন সন্ত্রাসবাদীকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। মানে সে এই অমিত জির পাতা ফাঁদে পুরো পা দিয়ে নয় গলা দিয়ে বসে আছে।
তারপর মোদিজি এবং অমিত শাহ জুটি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর হোয়াটসঅ্যাপের বাবা জুকেরবার্গ এর স্বরূপও খুলে দিলেন পুরো পৃথিবীর সামনে। মানে ভাবা যায় মেটা স্বীকার করছে যে মোটা অর্থের বিনিময়ে তারা ভারত বিরোধী ন্যারেটিভ তাদের প্লাটফর্মে চালিয়েছে। মানে ভারতের আসল লড়াইটা কোন আরশোলার অথবা পাকিস্তানের পাঠানো সন্ত্রাসবাদীর সঙ্গে ছিল না, ছিল এই মেটা নামক প্ল্যাটফর্মের সাথেও।এখন বোঝা যাচ্ছে এই প্লাটফর্ম আমাদের দেশের জন্য কতখানি বিপদজনক। পৃথিবীর ইতিহাসে বোধহয় এই প্রথম যে মেটা এর মতো এত বড় কোম্পানি এত নগ্ন ভাবে কোন দেশের সরকারের সামনে মাথা নত করল, ক্ষমা চাইলো নাকি একেবারে নাকের খত দিল, সেটাও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, নরেন্দ্র মোদী এবং শাহ জুটি প্রকাশ্যে এনে দিয়েছেন।
সমস্ত ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে পুরো বিষয়টি আমেরিকার ডিপ স্টেট, সি আই এ, পাকিস্তানের আইএসআই, পাক সন্ত্রাসবাদীরা মিলিতভাবে করেছে। প্রশ্নপত্র লিক ছিল একটা অজুহাত মাত্র।
পাঞ্জাব পুলিস, দিল্লি পুলিশ,কলকাতা পুলিশ ছাড়াও অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা যেভাবে এগিয়ে চলেছেন তাতে আরও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য শীঘ্র প্রকাশ্যে আসতে চলেছে।












