বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। কলকাতা: তৃণমূলের আরও এক তারকা সাংসদ বিদায় নিলেন রাজ্যসভা থেকে। সুখেন্দুশেখর রায়ের পর এবার ইস্তফা দিলেন সুস্মিতা দেব। শুধু সাংসদ পদ নয়, তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ সহ দলের সব দায়িত্বও ছেড়ে দিলেন তিনি। বুধবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে দেখা করে ইস্তফাপত্র তুলে দেন সুস্মিতা। চিঠিতে দ্রুত তা গ্রহণের অনুরোধও জানান। তাঁর সিদ্ধান্তের পর রাজ্যসভায় তৃণমূলের শক্তি ১৩ থেকে নেমে ১১ হল। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা তিন। পদ ছাড়ার পর সুস্মিতা জানান, এখন তিনি পুরোপুরি মুক্ত ও স্বাধীন। রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও কিছু ঠিক করেননি। তিনি অসমের মেয়ে, তবু পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জন্য রাজ্যবাসীকে ধন্যবাদ দেন। তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করেননি। সেদিনই দিল্লিতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মার সঙ্গে দেখা করেন তিনি। যা নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সুস্মিতার যুক্তি, হিমন্তের সঙ্গে তাঁর বহু বছরের পরিচয়, তাই দেখা করতে যাওয়া। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষমোহন দেবের মেয়ে সুস্মিতা শিলচর থেকে কংগ্রেসের সাংসদ ছিলেন। ২০১৯-এ হেরে যাওয়ার পর ২০২১-এর অগস্টে তৃণমূলে যোগ দেন। উত্তর-পূর্বে দলের সংগঠন গোছানোর ভার পড়ে তাঁর কাঁধে। মানস ভুঁইয়া মন্ত্রী হওয়ায় ফাঁকা হওয়া রাজ্যসভার আসনে প্রথমবার যান ২০২১-এ। সেই মেয়াদ শেষ হয় ২০২৩-এর অগস্টে। শান্তনু সেনের মেয়াদ শেষ হলে ২০২৪-এর এপ্রিলে ফের রাজ্যসভায় আসেন। ২০৩০ পর্যন্ত মেয়াদ থাকার কথা ছিল। কিন্তু চার বছর বাকি থাকতেই সব পদ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন সুস্মিতা।












