,

‘চিকেনস নেক’ সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ: শিলিগুড়িতে হেডকোয়ার্টার চায় বিএসএফ, ১০০ একর জমি চাইল আইটিবিপি

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’কে ঘিরে উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ সহযোগিতায় এই এলাকায় সামরিক পরিকাঠামো বিস্তারের কাজ এগোচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে তিনটি কেন্দ্রীয় বাহিনী বিএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি-র ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। শিলিগুড়িতে বিএসএফের হেডকোয়ার্টার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’কে ঘিরে উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ সহযোগিতায় এই এলাকায় সামরিক পরিকাঠামো বিস্তারের কাজ এগোচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে তিনটি কেন্দ্রীয় বাহিনী বিএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি-র ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

শিলিগুড়িতে বিএসএফের হেডকোয়ার্টার
দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের দাবি, বিএসএফ শিলিগুড়ি করিডর সংলগ্ন এলাকায় নিজেদের একটি হেডকোয়ার্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। সূত্র জানাচ্ছে, এই ইস্যুতে বিএসএফের ডিজি প্রবীণ কুমারের সঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর একপ্রস্ত আলোচনাও হয়েছে।

১০০ একর জমি চায় আইটিবিপি
শুধু বিএসএফ নয়, ‘চিকেনস নেক’ সংলগ্ন এলাকায় স্থায়ী পরিকাঠামো গড়তে আগ্রহী ইন্ডো টিবেটান বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপি-ও। আইটিবিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সংস্থার জন্য যত দ্রুত সম্ভব ১০০ একর জমি প্রয়োজন। তাদের এই ‘জরুরি প্রয়োজন’ সম্পর্কে রাজ্য প্রশাসনকে ইতিমধ্যেই অবহিত করা হয়েছে।

স্থায়ী শিবির চায় এসএসবি
সশস্ত্র সীমা বল বা এসএসবি-ও এই এলাকায় স্থায়ী শিবির গড়তে চাইছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের দাবি, পরিকাঠামো উন্নয়ন খাতে প্রয়োজনীয় জমি দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে অনুরোধ জানাবে এসএসবি।

আন্ডারগ্রাউন্ড রেললাইনের পরিকল্পনা
সূত্রের আরও দাবি, বিএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি ‘চিকেনস নেক’ সংলগ্ন এলাকায় যে পরিকাঠামো বিস্তারের লক্ষ্যে এগোচ্ছে, সেখানে একটি আন্ডারগ্রাউন্ড রেলওয়ে লাইন স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রস্তাবিত এই রেললাইন শুধুমাত্র নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার হবে।

সূত্র জানাচ্ছে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই আন্ডারগ্রাউন্ড রেললাইনের মাধ্যমে দেশের এক প্রান্ত থেকে ‘চিকেনস নেক’ সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের যে কোনও প্রান্তে দ্রুত রিইনফোর্সমেন্ট পাঠানো সম্ভব হবে।

রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের দাবি, অত্যন্ত গোপনীয় ও স্পর্শকাতর এই প্রকল্পে রেললাইন স্থাপনের কাজ রেলমন্ত্রক করলেও সংশ্লিষ্ট লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারের পুরো দায়িত্ব থাকবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের হাতে।

এই প্রসঙ্গেই তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ সফর।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *