,

দেশাত্মবোধক গানে মুখরিত শিলচর, দেশভক্তি দিবসে আবেগঘন শ্রদ্ধার্ঘ্য দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনকে

কাছাড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম পুরোধা দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনের ৮৭তম প্রয়াণবার্ষিকী পালিত জনসংযোগ। শিলচর : দেশাত্মবোধক গানের আবেগঘন সুরে মঙ্গলবার শিলচরের জেলা আয়ুক্তের কার্যালয়ের পুরনো সম্মেলন কক্ষ যেন এক অনন্য দেশপ্রেমের আবহে ভরে উঠল। দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশিত দেশাত্মবোধক সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে কাছাড় জেলা…

কাছাড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম পুরোধা দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনের ৮৭তম প্রয়াণবার্ষিকী পালিত

জনসংযোগ। শিলচর : দেশাত্মবোধক গানের আবেগঘন সুরে মঙ্গলবার শিলচরের জেলা আয়ুক্তের কার্যালয়ের পুরনো সম্মেলন কক্ষ যেন এক অনন্য দেশপ্রেমের আবহে ভরে উঠল। দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশিত দেশাত্মবোধক সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে কাছাড় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং অসম সরকারের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের বরাক উপত্যকার আঞ্চলিক কার্যালয়, শিলচরের সহযোগিতায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল অসমের কিংবদন্তি স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনের ৮৭তম প্রয়াণবার্ষিকী।

এদিন স্বাধীনতা সংগ্রামী, প্রখ্যাত আইনজীবী, সংসদীয় ব্যক্তিত্ব, সাহিত্যিক এবং সমাজসংস্কারক তরুণ রাম ফুকনের বর্ণময় জীবন, আদর্শ ও অবিস্মরণীয় অবদানকে স্মরণ জানাতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাহিত্যিক, আইনজীবী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সরকারি আধিকারিক এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। বক্তারা একবাক্যে বলেন, অসমের রাজনৈতিক জাগরণ এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তরুণ রাম ফুকনের অসামান্য ভূমিকা আজও নতুন প্রজন্মকে সমানভাবে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাছাড়ের অতিরিক্ত জেলা আয়ুক্ত, জাগৃতি কালওয়ার, এসিএস। স্বাগত ভাষণে তিনি দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনকে এক দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাঁর সাহস, নেতৃত্বগুণ এবং জনকল্যাণমূলক চিন্তাধারা অসমের সামাজিক ও রাজনৈতিক চেতনাকে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে তরুণ রাম ফুকনের জীবনাদর্শ পৌঁছে দেওয়া আজ সময়ের দাবি। তাঁর আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম এবং জাতির প্রতি অঙ্গীকারকে আগামী দিনের মানুষ যত বেশি জানবে, ততই জাতীয় চেতনা আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অসমীয়া সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড.আশরাফ হুসেন। তিনি দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনের জীবনসংগ্রাম, সাহিত্যচর্চা এবং স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকার এক বিস্তৃত ও তথ্যসমৃদ্ধ পর্যালোচনা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তরুণ রাম ফুকনের জীবন ছিল দেশপ্রেম, বিদ্যাচর্চা এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য সমন্বয়।

কারাবাসের সময় রচিত তাঁর ভক্তিমূলক কাব্যসংকলন ‘স্তুতিমালা’-র প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ড.হুসেন বলেন, এই গ্রন্থ কেবল সাহিত্যসৃষ্টিই নয়, বরং এক বিপ্লবী মনের গভীর আত্মিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ। স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে সাহিত্য কীভাবে জাতীয় জাগরণের শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে রূপ দিতে পারে, স্তুতিমালা তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯২৬ সালে গুয়াহাটির পান্ডুতে অনুষ্ঠিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ঐতিহাসিক অধিবেশনে তরুণ রাম ফুকনের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সেই অধিবেশন অসমকে সর্বভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের মূল ধারায় আরও সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। ড.হুসেন গবেষক, শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে আহ্বান জানান, তাঁরা যেন তরুণ রাম ফুকনের সাহিত্য ও চিন্তাধারা নতুন করে পাঠ করেন এবং তাঁর আদর্শকে সমসাময়িক শিক্ষা, গবেষণা ও সামাজিক জীবনের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করেন।

এরপর বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক দীপঙ্কর ঘোষ। স্বাধীনতা সংগ্রামে দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনের ঐতিহাসিক ভূমিকার এক জীবন্ত চিত্র তিনি শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯২১ সালে শিলচর কারাগারে বন্দি থাকার সময় তরুণ রাম ফুকন একাধিক ভক্তিমূলক স্তোত্র ও দেশাত্মবোধক কবিতা রচনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে সেই রচনাগুলিই ‘স্তুতিমালা’ নামে প্রকাশিত হয়ে অসমীয়া সাহিত্য এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে এক মূল্যবান সংযোজন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনের জীবন ও কর্মকে আইন ও সংবিধানের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করেন জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি তথা বিশিষ্ট আইনজীবী তুহিনা শর্মা। তিনি বলেন, তরুণ রাম ফুকন কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না,তিনি ছিলেন এক অসাধারণ আইনজীবী, সুদূরপ্রসারী চিন্তার রাষ্ট্রনায়ক এবং ন্যায়বিচারের এক নির্ভীক পথপ্রদর্শক। তাঁর কাছে আইন কখনও ক্ষমতাবানদের বিশেষ সুবিধার হাতিয়ার ছিল না বরং সমাজের দুর্বল ও বঞ্চিত মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম মাধ্যম ছিল।

শিলংয়ের তৎকালীন চিফ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবনের সূচনা থেকে শুরু করে অসম আইন পরিষদে তাঁর নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তুহিনা শর্মা বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তরুণ রাম ফুকন সাংবিধানিক মূল্যবোধ, শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন এবং প্রতিটি মানুষের মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

তাঁর জীবনদর্শনের প্রসঙ্গ টেনে তুহিনা শর্মা বলেন, “আইনের আগে প্রয়োজন স্বাধীনতা, অধিকারের আগে প্রয়োজন মুক্তি, আর ন্যায়বিচারের আগে প্রয়োজন এমন সাহসী নারী-পুরুষ, যারা সেই ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন।” তাঁর মতে, তরুণ রাম ফুকনের সর্বশ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকার কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং নৈতিক। তিনি পরবর্তী প্রজন্মকে শিখিয়ে গিয়েছেন যে সাহস অন্যকে সাহসী করে তোলে, সততা কখনও ম্লান হয় না, প্রকৃত নেতৃত্বের সূচনা হয় আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এবং সত্যিকারের মহত্ত্বের ভিত্তি নিঃস্বার্থ জনসেবা।

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অর্জিত স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হলে প্রত্যেক নাগরিককে ন্যায়, মানবিকতা ও সততার মূল্যবোধকে নিজের জীবনের অংশ করে তুলতে হবে। আইনজীবী, প্রশাসনিক আধিকারিক, ছাত্রছাত্রীসহ সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের প্রতি তাঁর আবেদন, তাঁরা যেন প্রতিদিনের কাজের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও সততার আদর্শকে বাস্তবে রূপ দেন।

বক্তব্যের শেষে তুহিনা শর্মা আবেগঘন ভাষায় বলেন, “মহান ব্যক্তিত্বেরা কখনও নিজেদের স্মরণ করার আবেদন জানান না। তাঁরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আহ্বান জানান তাঁদের অসমাপ্ত জাতি গঠনের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে, হাতে তুলে নিতে সেই আলোর মশাল, যা তাঁরা একদিন প্রজ্বলিত করে গিয়েছিলেন।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিলচর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. সুজিত কুমার তিওয়ারি দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনকে অসমের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান স্থপতি হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, জাতীয় জাগরণের বৃহত্তর স্বার্থে তরুণ রাম ফুকন ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য, সম্পদ এবং সফল আইনজীবী হিসেবে উজ্জ্বল পেশাগত জীবন পর্যন্ত স্বেচ্ছায় ত্যাগ করেছিলেন। তাঁর মতে, তিনি শুধু একজন খ্যাতনামা স্বাধীনতা সংগ্রামীই নন, ছিলেন একজন প্রথিতযশা সাহিত্যিক, কবি ও মনীষী। জনাকী-সহ বিভিন্ন সাহিত্যপত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর রচনা এবং অন্যান্য সাহিত্যকর্ম আজও জাতীয়তাবোধ, সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধের অনন্য দলিল হিসেবে সমাদৃত।

ড.তিওয়ারি বলেন, তরুণ রাম ফুকন বিশ্বাস করতেন ভাষা কখনও বিভেদের কারণ হতে পারে না, বরং মানুষের মধ্যে ঐক্যের সেতুবন্ধন গড়ে তোলাই ভাষার প্রকৃত উদ্দেশ্য। স্বাধীনতা আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহাত্মা গান্ধীর এক জনসভায় দেওয়া ভাষণ তরুণ রাম ফুকন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অসমীয়ায় অনুবাদ করেছিলেন, যার ফলে গান্ধীজির বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজে পৌঁছে যায়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সুরমা উপত্যকার চা-বাগানের শ্রমিকদের উপর সংঘটিত অত্যাচারের বিরুদ্ধে তরুণ রাম ফুকন দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। পাশাপাশি চাঁদপুর ঘটনার পর দীর্ঘস্থায়ী রেল ও স্টিমার ধর্মঘটের সময় নবীনচন্দ্র বরদলৈয়ের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিরলস সেবা করেছিলেন।

ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে ড.তিওয়ারি বলেন, প্রকৃত দেশপ্রেমের পরিচয় নিহিত রয়েছে প্রতিটি ভাষা, প্রতিটি সম্প্রদায় এবং প্রতিটি সংস্কৃতির প্রতি সমান শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মধ্যে। তিনি তরুণ প্রজন্মকে দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনের আদর্শ—ঐক্য, নিঃস্বার্থ সেবা, আত্মত্যাগ এবং দৃঢ় জাতীয় চরিত্র—নিজেদের জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই মূল্যবোধই আগামী দিনের আরও শক্তিশালী, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভারত গঠনের পথপ্রদর্শক হতে পারে।

নিজের বক্তব্যে দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিজয় সোনার বলেন, যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেশের এক মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম বহন করে, তার দায়িত্বও ততটাই গভীর। তিনি বলেন, তরুণ রাম ফুকনের জীবন দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ এবং জাতি গঠনের এক চিরন্তন শিক্ষা। শিক্ষকদের দায়িত্ব কেবল পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানদান নয়, শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনের মধ্য দিয়ে তাঁর আদর্শকে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য তিনি কাছাড় জেলা প্রশাসন এবং তথ্য ও জনসংযোগ দফতরের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিলচর কাছাড় কলেজের অধ্যক্ষ ড. অপ্রতিম নাগ। তিনি দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকনের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবিস্মরণীয় অবদান এবং অসমের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক জীবনে তাঁর স্থায়ী প্রভাবের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তাঁর জীবন ও আদর্শ আগামী প্রজন্মের কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আলোচনা পর্বের শেষে দেশভক্ত তরুণ রাম ফুকন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশিত দেশাত্মবোধক সঙ্গীত অনুষ্ঠানটিকে এক আবেগঘন পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। তাঁদের সুরেলা পরিবেশনায় সমগ্র সম্মেলন কক্ষ দেশপ্রেম, গর্ব এবং স্মৃতিচারণার আবহে মুখরিত হয়ে ওঠে। উপস্থিত অতিথি ও দর্শকরা করতালির মাধ্যমে শিল্পীদের উৎসাহিত করেন এবং মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের হৃদয়স্পর্শী দেশাত্মবোধক সংগীত সমগ্র পরিবেশকে আবেগে ভরিয়ে তোলে। তাঁদের সুরেলা পরিবেশনা উপস্থিত সকলকে দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও জাতীয় চেতনার আবহে পৌঁছে দেয় এবং সমগ্র অনুষ্ঠানের জন্য এক গম্ভীর অথচ অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠান শেষে, কাছাড়ের অতিরিক্ত জেলা আয়ুক্ত, জাগৃতি কালোয়ার, এসিএস তার ধন্যবাদ সূচক বক্তব্যে উপস্থিত সবাইকে জেলা প্রশাসন কাছাড়ের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানকে সুচারু রূপে সম্পন্ন এবং সফল করে তোলার জন্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিপ্লব বিশ্বাস। তাঁর সাবলীল, পরিমিত ও সুচারু উপস্থাপনা সমগ্র অনুষ্ঠানে এক বিশেষ মাত্রা যোগ করে এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানের গাম্ভীর্য ও সৌন্দর্য অটুট রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *