,

ইন্ডাস টাওয়ার্সের বন্যা ত্রাণ উত্তর-পূর্বে সম্প্রসারিত, অসমের ১১০০ পরিবার পেল সহায়তা

চরাইদেও, শিবসাগর, যোরহাটে ‘প্রগতি’ কর্মসূচির মাধ্যমে খাদ্য, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার সামগ্রী বিতরণ নিজস্ব প্রতিবেদন : অসমে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ টেলিকম অবকাঠামো সংস্থা ইন্ডাস টাওয়ার্স। সংস্থার সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি ‘প্রগতি’-র আওতায় চরাইদেও, শিবসাগর ও যোরহাট জেলার প্রায় ১১০০টি বন্যাকবলিত পরিবারকে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। সোনারি ও তেওক…

চরাইদেও, শিবসাগর, যোরহাটে ‘প্রগতি’ কর্মসূচির মাধ্যমে খাদ্য, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদন : অসমে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ টেলিকম অবকাঠামো সংস্থা ইন্ডাস টাওয়ার্স। সংস্থার সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি ‘প্রগতি’-র আওতায় চরাইদেও, শিবসাগর ও যোরহাট জেলার প্রায় ১১০০টি বন্যাকবলিত পরিবারকে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।

সোনারি ও তেওক কেন্দ্রে আয়োজিত বিতরণ কর্মসূচিতে প্রতিটি পরিবারের হাতে সমন্বিত সহায়তা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। সেই সামগ্রীতে ছিল শুকনো খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানীয় জল, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির জিনিসপত্র, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম। পাশাপাশি গর্ভবতী মহিলা, সদ্য মা হওয়া নারী এবং ৬ মাস থেকে ২ বছর বয়সি শিশুদের জন্য বিশেষ সামগ্রীও দেওয়া হয়।

ইন্ডাস টাওয়ার্স লিমিটেডের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সার্কেলের প্রধান রাজেন্দর গুরুং বলেন, “অসমের বন্যা হাজার হাজার পরিবারের জীবনে গভীর সংকট এনেছে। খাদ্য, স্বাস্থ্য ও মৌলিক প্রয়োজনে বড় ধাক্কা লেগেছে। দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে থাকা আমাদের অঙ্গীকার। উত্তর-পূর্বের সম্প্রদায়গুলির পুনরুদ্ধার ও দীর্ঘমেয়াদি সহনশীলতা গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

ত্রাণ বিতরণের সময় ইন্ডাস টাওয়ার্সের কর্মীরা বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের বন্যাকবলিত এলাকাতেও ইন্ডাস টাওয়ার্স ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়েছে। সংস্থা জানিয়েছে, ‘প্রগতি’-র মাধ্যমে ভবিষ্যতেও স্থানীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে নিয়ে দুর্যোগপীড়িত অঞ্চলে ত্রাণ, পুনর্বাসন ও সহনশীলতা বৃদ্ধির কাজ চালিয়ে যাবে।

এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে উত্তর-পূর্ব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা উন্নয়ন সমিতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *