,

এইচএসএলসি কম্পার্টমেন্টাল পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির আশেপাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কাছাড় জেলা প্রশাসন

২৯ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা পরিচালনার লক্ষ্যে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর বরাককণ্ঠপ্রতিবেদন: Assam State School Education Board কর্তৃক আগামী ২৯ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হাই স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট (এইচএসএলসি) কম্পার্টমেন্টাল পরীক্ষা, ২০২৬ উপলক্ষে কাছাড় জেলার বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা পরিচালনা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ভারতীয়…

২৯ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা পরিচালনার লক্ষ্যে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর

বরাককণ্ঠপ্রতিবেদন: Assam State School Education Board কর্তৃক আগামী ২৯ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হাই স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট (এইচএসএলসি) কম্পার্টমেন্টাল পরীক্ষা, ২০২৬ উপলক্ষে কাছাড় জেলার বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা পরিচালনা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS)-এর ১৬৩ ধারার অধীনে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করেছে।
জেলা শাসক, কাছাড় কর্তৃক জারি করা এই আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এইচএসএলসি কম্পার্টমেন্টাল পরীক্ষা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এবং পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

জেলা প্রশাসনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে যে, পরীক্ষার দিনগুলিতে অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের অতিরিক্ত ভিড় পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির আশেপাশে জমায়েত হয়ে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এছাড়াও, কিছু অসাধু চক্র পরীক্ষাকেন্দ্র ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় অসাধু উপায় অবলম্বন করে স্বচ্ছ পরীক্ষা প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
সেই প্রেক্ষিতে জেলা শাসক সমস্ত পরীক্ষাকেন্দ্রের ১০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে পরীক্ষার্থী, স্ক্রাইব এবং পরীক্ষা পরিচালনা ও তদারকির সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের ব্যতীত অন্য সকল ব্যক্তির জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে মোবাইল ফোন, তা সুইচ অফ অবস্থায় থাকলেও, স্মার্ট ওয়াচ, হেলথ ব্যান্ড, ব্লুটুথ ডিভাইস, ইয়ারফোন, মাইক্রোফোন, ইলেকট্রনিক পেন, স্ক্যানার, প্রোগ্রামেবল ডিভাইস, স্টোরেজ মিডিয়া, পেন ড্রাইভ, লিখিত বা মুদ্রিত পাঠ্যসামগ্রী, কাগজের টুকরো কিংবা যে কোনও ধরনের অসাধু উপায়ে সহায়ক সামগ্রী বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিষয়টির জরুরি গুরুত্ব বিবেচনা করে এই আদেশ একতরফাভাবে জারি করা হয়েছে। তবে, এই আদেশে কেউ অসন্তুষ্ট হলে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামনে উপস্থিত হতে পারবেন।
কাছাড় জেলার সমস্ত থানা ও আউটপোস্টের মাধ্যমে এই আদেশ কঠোরভাবে কার্যকর করার জন্য কাছাড়ের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন আরও জানিয়েছে যে, এই আদেশ লঙ্ঘন করলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ২২৩ ধারাসহ বিদ্যমান অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইনের অধীনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *