,

‘ভাষা শহিদ স্টেশন’ নামে শিলচর রেল স্টেশনের নামকরণের দাবি বিধানসভায় তুললেন আমিনুল হক লস্কর

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: শিলচর রেল স্টেশনকে এগারো ভাষা শহিদের স্বীকৃতি দিয়ে ‘ভাষা শহিদ স্টেশন’ নামে নামকরণের দাবি তুললেন সোনাইর কংগ্রেস বিধায়ক আমিনুল হক লস্কর। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবের ওপর বিতর্কে অংশ নিয়ে তিনি স্পষ্ট বলেন, ‘বরাকের গণদাবি হচ্ছে, শিলচর রেল স্টেশনের নাম ভাষা শহিদ স্টেশন হতে হবে। সরকার সেই দাবি পূরণ করে ভাষা শহিদের নামে…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: শিলচর রেল স্টেশনকে এগারো ভাষা শহিদের স্বীকৃতি দিয়ে ‘ভাষা শহিদ স্টেশন’ নামে নামকরণের দাবি তুললেন সোনাইর কংগ্রেস বিধায়ক আমিনুল হক লস্কর। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবের ওপর বিতর্কে অংশ নিয়ে তিনি স্পষ্ট বলেন, ‘বরাকের গণদাবি হচ্ছে, শিলচর রেল স্টেশনের নাম ভাষা শহিদ স্টেশন হতে হবে। সরকার সেই দাবি পূরণ করে ভাষা শহিদের নামে স্টেশনের নামকরণের ব্যবস্থা করুক।’

বিজেপি বিধায়কদের নীরবতা নিয়ে খোঁচা
বিধানসভা ভোটে এবার বরাক উপত্যকা থেকে বিজেপির নয় জন বিধায়ক জয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন রাজ্যপালের ভাষণ বিতর্কে অংশ নিলেও শিলচর রেল স্টেশনের নাম পরিবর্তনের দাবি কেউ তোলেননি। সেই প্রসঙ্গ টেনে আমিনুল বলেন, ‘বরাকে এবার ৯ বিধায়ক রয়েছেন বিজেপির। এবার অন্তত বরাকের লোকের গণদাবি পূরণ হবে।’

ভিন রাজ্যে অসমের যুবকদের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ
রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে হাজার হাজার বেকার যুবক যুবতীর ভিন রাজ্যে পাড়ি দেওয়ার বিষয়টিও বিধানসভায় তোলেন তিনি। আমিনুল জানান, ‘রাজ্যে কর্মসংস্থান না থাকায় হাজার হাজার যুবক যুবতী কাজের খোঁজে তামিলনাডু, কেরল, কর্ণাটক সহ বিভিন্ন রাজ্যে যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে তাদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা নেই। ভিন রাজ্যের সংস্থার দায়বদ্ধতাও নেই তাদের প্রতি। সঙ্কটকালে তাদের জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারে কোনও ব্যবস্থাও নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের দুই ফেব্রুয়ারি অবধি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অসমের ১৬২ জন যুবকের মৃত্যু হয়েছে।’

বিনিয়োগ সম্মেলন হলেও বাড়েনি চাকরি: আমিনুল
সরকারের ‘অ্যাডভানটেজ অসম ১.০ ও ২.০’ বিনিয়োগ সম্মেলনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘অসমে দুটো বিনিয়োগ সম্মেলন করেছে সরকার। কিন্তু কর্মসংস্থান কতটা বেড়েছে এর ফলে, সেটা দেখতে হবে। ২০১৬ সালের আগে অসমের কত বেকার যুবক যুবতী ভিন রাজ্যে ছিল, এখন কত জন বাইরে রয়েছে, সেটা দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

আমিনুলের মন্তব্য, ‘রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়লে বেকাররা কাজের খোঁজে এখন আর বাইরে যেত না। কিন্তু এখনও কাজের খোঁজে বাইরে যেতে হচ্ছে অসমের বেকারদের। এমন অবস্থা হয় যে কোনও কারণে বাইরে মৃত্যু হলে মৃতদেহ অবধি ফিরিয়ে আনতে পারেন না পরিবারের লোকেরা।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *