মানস বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা : পুরো দক্ষিন এশিয়ার দেশ গুলির তাকান। একের পর এক দুর্গের পতন ঘটিয়ে ভারতের বিরূদ্ধে মারাত্মক অপরেশন ৩৭ অভিযান চালিয়েছে আমেরিকার ডিপ স্টেটের জর্জ সোরোস। এজন্য সমস্ত কলকাঠি নাড়ছে অ্যামেরিকা সরকার। একটি দুটি নয় একের পর এক একগাদা চক্রান্তের জাল বিছিয়ে ছিল। চক্রান্তের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, নেপাল ও বাংলদেশে। সব কটি দেশের সরকারকে ফেলে দিয়ে আমেরিকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণের পুতুল সরকার গঠন করেছে।
আজ ভারত সবচেয়ে বড় বিপদের মধ্যে কেন?
এটা একদম সত্য। মোদি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য “অপারেশন ৩৭” ডিপ স্টেট ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। এর আওতায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট মোদি জিকে সরাতে CIA ও ডিপ স্টেটকে ১২ মাস সময় দিয়েছেন। এই অপারেশনের অস্ত্র হবে— ডিভিশন (ভাগ করা), ডাইভারশন (দৃষ্টি ঘোরানো) এবং ডিসেপশন (প্রতারণা)। এর মধ্যে ভোট চুরি এবং অপারেশন ৩৭-ও অন্তর্ভুক্ত। উত্তরবঙ্গ থেকে শিলিগুড়ির চিকেন নেক কেটে সারা নর্থ ইস্টকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা। বিজেপিকে একাধিক গোষ্ঠীতে বিভক্ত করা। এর একটি উদাহরণ আপনি ইতিমধ্যেই জগদীপ ধনখড়ের ঘটনায় দেখেছেন। তাদের লক্ষ্য হলো কমপক্ষে ৩৭ জন বিজেপি সাংসদকে ভেঙে বিজেপির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা। কখনো শুল্কের নামে, কখনো সংরক্ষণের নামে, কখনো দালাল কৃষক নেতাদের মাধ্যমে, আবার কখনো যৌন ও ধর্মীয় আন্দোলন খাড়া করে। বাংলাদেশে যেমন অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে, তেমন পরিস্থিতি তৈরি করে সরকার ফেলার চেষ্টা করা হবে।
দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্রে হিন্দি-বিরোধী আন্দোলন, কিছু নেতার জন্মাষ্টমীতে গোমাংস খাওয়ার ঘোষণা—এগুলো তারই উদাহরণ।
ডাইভারশন বলতে বোঝানো হচ্ছে বিজেপির মূল ভোটারদের ওপর আঘাত করে তাদের ভোট অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া।
যেমন— কনস্টিটিউশন ক্লাবের নির্বাচনের মতো ঘটনা, যা আগে কখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
“পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন?”— অমিত শাহ না যোগী— এই ধরনের প্রশ্ন তুলে হিন্দু সমাজকে ভাগ করার চেষ্টা করা হবে।
একই সঙ্গে পাকিস্তানকে উসকে দিয়ে ভারতকে ইউক্রেন–রাশিয়ার মতো দীর্ঘ যুদ্ধে জড়িয়ে অর্থনীতিকে ধ্বংস করার চেষ্টাও চলবে।
এটা নিশ্চিত যে, যদি বিরোধী দল, ডিপ স্টেট এবং ট্রাম্প ১২ মাসের মধ্যে মোদি জিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে না পারে, তাহলে তারা প্রাণঘাতী হামলা করতেও পিছপা হবে না। কারণ ভারতের অগ্রগতি আমেরিকার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আজ আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে ঋণগ্রস্ত দেশ, এবং তারা ভারতের এগিয়ে যাওয়া দেখতে চায় না। ভারতকে ক্ষতি করতে এজন্য আমেরিকা কট্টর মৌলবাদী মুসলিমদের, মোদি বিরোধী কম্যুনিস্ট পার্টি, জামাতে ইসলামী,কংগ্রেস, আম আদমি পার্টির হাত ধরে নিয়েছে। আজ ভারত তার ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আজ হিন্দুদের দেশ ও নিজেদের রক্ষার জন্য আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। অন্য কট্টরবাদী মুসলিম গোষ্ঠী কখনোই আপনার পাশে দাঁড়াবে না, কারণ তাদের লক্ষ্য হলো গজবা-এ-হিন্দ সম্পূর্ণ করা। আর এগুলোকেই উস্কানি দিয়ে চলেছে ডিপ স্টেট। বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে সফলতা অর্জন করায় আমেরিকা থেকে অভিজিৎ দীপকে সহ ৪ জনকে পাঠালো প্রশ্নপত্র লিক করার বাহনা নিয়ে ছাত্র আন্দোলন ও পার্লামেন্টে দখল করার উদ্দেশ্যে। অথচ এর কেউই ছাত্র নয়। ভারতকে টুকরো টুকরো করার ডিপ স্টেটের গ্যাং। এরা ভারতে এসে আগে রেকি করে গেছে। লক্ষ লক্ষ মার্কিন ডলার বিতরণ করেছে। বাংলাদেশে যেমন শেখ হাসিনার বিতাড়নে রাষ্ট্র পতি ছিলেন নির্বাক । আদালত বোরখা পরে বসেছিল। সবাইকে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছিল। আপনাদের কাছে অনুরোধ, পত্রিকাটি পড়ুন এবং আপনার সব বন্ধু, পরিচিত ও তাদের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে পাঠান। নয়তো একটা বড় রকমের সংঘাতের সম্মুখীন হতে পারে।
যারা চায় ভারত হারুক
● আমেরিকা চায় ভারত হারুক
● কানাডা / খালিস্তানিরা চায় ভারত হারুক
● ইউরোপ চায় ভারত হারুক
● ব্রিটেন, তুরস্ক ইত্যাদি চায় ভারত হারুক
● পাকিস্তান চায় বিজেপি হারুক
● চীন চায় বিজেপি হারুক
● অস্ত্র লবি চায় বিজেপি হারুক
● ওষুধ লবি চায় বিজেপি হারুক
● কট্টর ইসলামপন্থীরা চায় বিজেপি হারুক
● দেশবিরোধীরা চায় বিজেপি হারুক
● মিশনারিরা চায় বিজেপি হারুক
● বামপন্থীরা চায় বিজেপি হারুক
● মুসলমানরা চায় বিজেপি হারুক
শক্তিশালী বিদেশি দেশগুলো চায় ভারত হারুক, কারণ ভারত তাদের অস্ত্র রপ্তানি বাজার এবং উৎপাদন ঘাঁটি দখল করে নিচ্ছে।
তারা চায় না ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আমদানি-নির্ভরতা থেকে মুক্ত হোক। তারা কেন্দ্রে একটি পুতুল সরকার চায়, যাকে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। ভারতীয় বিরোধী দল চায় বিজেপি হারুক, কারণ বিজেপি হিন্দুদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে—
● রাম মন্দির
● CAA / NRC
● নতুন শিক্ষা নীতি
● অনুচ্ছেদ ৩৭০
● প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করা
● NGO-র লাগাম টানা
● নকশাল দমন
● মিশনারিদের নিয়ন্ত্রণ
● সাংবাদিকদের ফ্রি উপহার বন্ধ
● ভুয়া PAN ও আধার কার্ডের মাধ্যমে নগদ সুবিধা বন্ধ
● বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি
● করোনা টিকাকরণ
● কাশী করিডর
● মহাকাশে সাফল্য
● দাসত্বের চিহ্ন মুছে ফেলা
● অবকাঠামো উন্নয়ন
● IIT
● AIIMS
● মন্ত্রী স্তরে শূন্য দুর্নীতি
● GST
● নোটবন্দি
● শূন্য বোমা বিস্ফোরণ
● কাশ্মীরে শান্তি
● মোবাইল উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থান
● রেলের ১০০% বিদ্যুতায়ন
● রেল গেট সম্পূর্ণ বিলুপ্ত
● বন্দে ভারত ট্রেন
● একটি গুলিও না চালিয়ে পাকিস্তানকে ধ্বংস
● চীনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা
● ঘরে ঘরে জল
● আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে স্বাস্থ্য বীমা
● প্রবীণ নাগরিকদের জন্য চারধাম যাত্রা এবং—
● বিজেপি দেশ বিক্রি করবে না
● বিজেপি চীনের সঙ্গে গোপন চুক্তি করবে না
● বিজেপি পাকিস্তানের প্রতি নরম হবে না।
দিল্লিতে প্রথম পর্যায়ের আরশোলার স্বপ্ন পূরণ হলো না। সোনম ওয়াংচুক তো একটা অজুহাত। তার নিজেরই কয়েক ডজন এনজিও রয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা পেতেন বিদেশ থেকে। আর কথায় কথায় চীনের সঙ্গে দহরম মহরম। নতুন বিলে সেটাই বন্ধ হচ্ছে। প্রচন্ড হাঙ্গামার মুখে আদালতের নির্দেশে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারপর নকল হোক খাঁটি হোক ছাত্রদের দাবি অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করিয়ে হাঙ্গামাকারী দের যন্তর মন্তর খালি করার আল্টিমেটাম দেয় সরকার। হাঙ্গামা কারীরা ইট পাথর ছুঁড়ে ১৪০ পুলিসকে জখম ও একডজন গাড়ি ভাঙচুর করার পর বিপদ বুঝে অভিজিৎ দীপকে বিমান বন্দর থেকে আমেরিকা ফিরে গেছে বলে জানা গেছে। জানা গেছে কিছুদিনের মধ্যেই ওরা পশ্চিমবঙ্গে হাঙ্গামা করতে আসবে গ্রেফতার হওয়া দুষ্কৃতিদের মুক্তির দাবিতে।
লেখক: ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রেস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়া












