,

এনইজেডসিসির “তরুণ প্রতিভাবান শিল্পী স্বীকৃতি” প্রকল্পে আবেদন শুরু, বয়স ১৮ থেকে ৩০

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। ডিমাপুর: উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারত সরকারের উদ্যোগে “তরুণ প্রতিভাবান শিল্পীদের স্বীকৃতি” প্রকল্পের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চল সহ কেন্দ্রের সদস্য রাজ্যগুলির উদীয়মান শিল্পীদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদান করা হবে। কোন ক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে নিয়ম অনুযায়ী স্বীকৃতি শুধুমাত্র ৪টি প্রধান ক্ষেত্রে দেওয়া হবে। এগুলি হল: লোক ও…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। ডিমাপুর: উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারত সরকারের উদ্যোগে “তরুণ প্রতিভাবান শিল্পীদের স্বীকৃতি” প্রকল্পের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চল সহ কেন্দ্রের সদস্য রাজ্যগুলির উদীয়মান শিল্পীদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদান করা হবে।

কোন ক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে
নিয়ম অনুযায়ী স্বীকৃতি শুধুমাত্র ৪টি প্রধান ক্ষেত্রে দেওয়া হবে। এগুলি হল: লোক ও উপজাতি সঙ্গীত-গান-নৃত্য, হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত-গান-নৃত্য, নাটক-নৃত্য নাটক-অভিনয় ভঙ্গি এবং সৃজনশীল শিল্প। সৃজনশীল শিল্পের মধ্যে রয়েছে ছবি আঁকা, কাঠের কারুকার্য, বাঁশ ও বেতের কাজ, তাঁত ও হস্তশিল্প এবং মাটির কাজ।

যোগ্যতা কী
প্রার্থীকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক এবং কেন্দ্রের সদস্য রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। সদস্য রাজ্যগুলি হল আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, বিহার, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গ। বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এবং অবিবাহিত হতে হবে। বয়সের প্রমাণপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে যারা ইতিমধ্যে জাতীয় বা রাজ্য পুরস্কার পেয়েছেন তারা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

আবেদন পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আবেদন নির্ধারিত ছকে করতে হবে। ছক কেন্দ্রের ডিমাপুর দপ্তর বা নিজ রাজ্যের শিল্প ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে বয়সের প্রমাণ, স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র এবং নিজের পরিবেশনার চলচ্চিত্র পেন ড্রাইভে অথবা সম্পন্ন কাজের ছবি। সব আবেদন প্রথমে নিজ রাজ্যের শিল্প ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালকের কাছে জমা দিতে হবে। সেখানে যাচাই ও সাক্ষাৎকার-প্রদর্শনের পর যোগ্য প্রার্থীদের কেন্দ্রে চূড়ান্ত নির্বাচনের জন্য পাঠানো হবে।

নির্বাচন প্রক্রিয়া
রাজ্য স্তরে “স্থানীয় বাছাই কমিটি” সব আবেদন খতিয়ে দেখবে। এরপর কেন্দ্র “আঞ্চলিক স্তরের বাছাই কমিটি” গঠন করে সুপারিশকৃত আবেদনগুলি চূড়ান্তভাবে বাছাই করবে। কমিটিতে থাকবেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট শিল্পী ও কেন্দ্রের পরিচালক। আঞ্চলিক কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। কেন্দ্র স্পষ্ট করেছে, নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার তদবির বা প্রচার করলে প্রার্থীতা বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

আগ্রহী শিল্পীদের দ্রুত নিজ রাজ্যের শিল্প ও সংস্কৃতি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে আবেদন জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *