,

গুণগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৬ জেলার বিধায়কদের সঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উচ্চস্তরীয় পর্যালোচনা বৈঠক স্বাস্থ্য মন্ত্রী অশোক সিংহলের

স্বাস্থ্য ক্লাব, ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা গোট, আরবিএসকে এবং আরকেএসকের ফলপ্রসূ রূপায়ণে বিধায়কদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : রাজ্যের প্রত্যেক নাগরিকের কাছে গুণগত, সুলভ এবং সময়োপযোগী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ তামুলপুর, বাক্সা, উদালগুড়ি, দরং, শোণিতপুর এবং বিশ্বনাথ জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক অগ্রগতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে দিশপুরে একটি উচ্চস্তরীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অসম সরকারের স্বাস্থ্য ও…

স্বাস্থ্য ক্লাব, ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা গোট, আরবিএসকে এবং আরকেএসকের ফলপ্রসূ রূপায়ণে বিধায়কদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : রাজ্যের প্রত্যেক নাগরিকের কাছে গুণগত, সুলভ এবং সময়োপযোগী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ তামুলপুর, বাক্সা, উদালগুড়ি, দরং, শোণিতপুর এবং বিশ্বনাথ জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক অগ্রগতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে দিশপুরে একটি উচ্চস্তরীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অসম সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের মন্ত্রী অশোক সিংহলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পের রূপায়ণের স্থিতি বিশদভাবে পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় মাতৃ-শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা পরিকাঠামোর উন্নয়ন, বিনামূল্যে ডায়ালাইসিস পরিষেবার সম্প্রসারণ এবং ১০৮ অ্যাম্বুলেন্স জরুরি পরিষেবাকে আরও দ্রুত ও ফলপ্রসূ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া ‘যক্ষ্মামুক্ত ভারত’ অভিযানের অগ্রগতি, রোগী শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার পর্যালোচনাও করা হয়।

সভায় স্বাস্থ্য ক্লাব, ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা গোট, রাষ্ট্রীয় শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি আরবিএসকে এবং রাষ্ট্রীয় কিশোর স্বাস্থ্য কর্মসূচি আরকেএসকে আরও ফলপ্রসূভাবে রূপায়ণের ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়। বিশেষ করে নিজ নিজ কেন্দ্রে স্কুল এবং সমাজ পর্যায়ে স্বাস্থ্য ক্লাবগুলিকে সক্রিয় করে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা গোটের মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করা, শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং জন্মগত রোগ সময়মতো শনাক্তকরণ, পাশাপাশি কিশোর-কিশোরীদের পুষ্টি, মানসিক স্বাস্থ্য, ঋতুস্রাব স্বাস্থ্যবিধি, নেশামুক্ত জীবন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আরও গুরুত্ব দিতে বিধায়কদের আহ্বান জানানো হয়।

সভায় হস্ততাঁত, বস্ত্র ও রেশম বিভাগের মন্ত্রী বিশ্বজিৎ দৈমারী, পরিবহণ বিভাগের মন্ত্রী চরণ বড়ো এবং মৎস্য বিভাগের মন্ত্রী নীলিমা দেবী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মানাহের বিধায়ক থানেশ্বর বসুমাতারী, বাক্সার বিধায়ক মণেশ্বর ব্রহ্ম, গোরেশ্বরের বিধায়ক ভিক্টর কুমার দাস, ভেরগাঁওয়ের বিধায়ক মহেশ্বর বড়ো, উদালগুড়ির বিধায়ক রিহন দৈমারী, টংলার বিধায়ক বিকন চন্দ্র ডেকা, ছিপাঝারের বিধায়ক পরমানন্দ রাজবংশী, গহপুরের বিধায়ক উৎপল বরা, দলগাঁওয়ের বিধায়ক মুজিবুর রহমান, তেজপুরের বিধায়ক পৃথিরাজ রাভা, বরচলার বিধায়ক ঋতু বরণ শর্মা এবং বিহালীর বিধায়ক মুনীন্দ্র দাস অংশগ্রহণ করে নিজ নিজ কেন্দ্রের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের জন্য গঠনমূলক পরামর্শ দেন।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের কমিশনার-সচিব ডাঃ পি. অশোক বাবু, ন্যাশনাল হেলথ মিশন অসমের মিশন ডিরেক্টর ডাঃ লক্ষ্মণন এস, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডাঃ অভিজিৎ শর্মাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের আরও কয়েকজন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। সভার শেষে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে স্বাস্থ্য বিভাগের অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলি আরও গতিশীলভাবে রূপায়ণ, আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জনসাধারণের কাছে গুণগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *