,

“২৬ লাখ ছাত্রছাত্রী কমেছে” অখিলের দাবি উড়িয়ে দিলেন ড. রণোজ পেগু

তথ্য যাচাইয়ে ৩ লাখ ভুয়া নাম বাদ, দেশের তুলনায় অসমে কমেছে কম – দাবি শিক্ষামন্ত্রীর বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। দিসপুর: রাজ্যের সরকারি স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে এই অভিযোগ তুলে রবিবার বিধানসভায় সরব হলেন রাইজর দলের বিধায়ক অখিল গগৈ। তার অভিযোগ, বিজেপি সরকারের আমলে গত চার বছরে রাজ্যের সরকারি স্কুল থেকে প্রায় ২৬ লাখ ছাত্রছাত্রী কমে…

তথ্য যাচাইয়ে ৩ লাখ ভুয়া নাম বাদ, দেশের তুলনায় অসমে কমেছে কম – দাবি শিক্ষামন্ত্রীর
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। দিসপুর: রাজ্যের সরকারি স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে এই অভিযোগ তুলে রবিবার বিধানসভায় সরব হলেন রাইজর দলের বিধায়ক অখিল গগৈ। তার অভিযোগ, বিজেপি সরকারের আমলে গত চার বছরে রাজ্যের সরকারি স্কুল থেকে প্রায় ২৬ লাখ ছাত্রছাত্রী কমে গেছে। শিক্ষকের অভাবে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলেও তিনি দাবি করেন এবং এ বিষয়ে সভা স্থগিত করে আলোচনার প্রস্তাব দেন।

অখিল গগৈ আরও বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকে কারিগরির ২৬টি বিষয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। যার ফলে রাজনীতির শিক্ষককে দিয়ে সংগীত পড়ানো হচ্ছে, অর্থনীতির শিক্ষক বিউটিশিয়ান পড়াচ্ছেন। স্নাতকের নতুন পাঠ্যক্রমের জন্য কলেজগুলিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় অরাজকতা চলছে।

বিধায়কের এই অভিযোগের কড়া জবাব দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. রণোজ পেগু। তিনি বলেন, অখিল গগৈয়ের দেওয়া তথ্য সম্পূর্ণ ভুল। ড.পেগুর কথায়, সরকারি স্কুলে নামভর্তি কমা কেবল অসমের সমস্যা নয়, এটি সারা দেশেরই চিত্র। দেশে সামগ্রিকভাবে সরকারি স্কুলে ৪.৪ শতাংশ ছাত্রছাত্রী কমেছে। সেখানে অসমে এই হার ৪.১ শতাংশ।

ড.রণোজ পেগু জানান, বিগত তিন বছরে রাজ্য সরকার স্কুলের তথ্যভাণ্ডারে ব্যাপক যাচাই-বাছাই করেছে। আধারের সঙ্গে সংযোগ এবং নকল, ভুয়া নাম বাদ দেওয়ার ফলে প্রায় ৩ লাখ নাম বাদ পড়েছে। এর জন্যই সংখ্যা কমেছে বলে মনে হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে গত তিন বছরে ২ লাখ ১২ হাজার ছাত্রছাত্রী কমেছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিক স্তরে নামভর্তি কিছুটা কমলেও মাধ্যমিক স্তরে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। এর অর্থ হল উচ্চ শ্রেণিতে ছাত্রছাত্রীরা পড়া চালিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি রাজ্যে জন্মের হার কমে যাওয়াও নামভর্তি কমার অন্যতম কারণ।

কারিগরি বিষয়ে শিক্ষক নেই এই প্রসঙ্গে ড.রণোজ পেগু বলেন, কারিগরি বিষয়গুলি ঐচ্ছিক। ছাত্রছাত্রীরাই নিজের পছন্দমতো বিষয় বেছে নেয়। অখিল গগৈ শিক্ষা দফতর সম্পর্কে না জেনেই মন্তব্য করছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ড.রণোজ পেগুর মতে, সরকারি স্কুলে নামভর্তি কমার বিষয়টিকে সারা দেশের জনসংখ্যার পরিবর্তন, তথ্যের যাচাই-বাছাই এবং স্তরভিত্তিক পরিবর্তনের সামগ্রিক দিক থেকে দেখতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *