,

রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টন, মুখ্যমন্ত্রীর হাতে স্বরাষ্ট্র-বিদ্যুৎ সহ ৭ দফতর

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। কলকাতা: রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টন সম্পূর্ণ হল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে রইল স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক, ভূমি ও ভূমি সংস্কার, ত্রাণ ও উদ্বাস্তু পুনর্বাসন, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি, কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার এবং বণ্টিত না হওয়া বাকি সব দফতর। পূর্ণমন্ত্রীদের মধ্যে তাপস রায় পেলেন শিল্প, বাণিজ্য, অচিরাচরিত উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন এবং…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। কলকাতা: রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টন সম্পূর্ণ হল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে রইল স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক, ভূমি ও ভূমি সংস্কার, ত্রাণ ও উদ্বাস্তু পুনর্বাসন, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি, কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার এবং বণ্টিত না হওয়া বাকি সব দফতর। পূর্ণমন্ত্রীদের মধ্যে তাপস রায় পেলেন শিল্প, বাণিজ্য, অচিরাচরিত উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি। স্বপন দাশগুপ্তের দায়িত্বে অর্থ। দিলীপ ঘোষ সামলাবেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় পেলেন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন। অগ্নিমিত্রা পালের হাতে পুর ও নগরোন্নয়ন। শারদ্বত মুখোপাধ্যায় পেলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ। অর্জুন সিংহের দায়িত্ব শ্রম ও পরিবহণ। কল্যাণ চক্রবর্তী পেলেন তথ্যপ্রযুক্তি ও বৈদ্যুতিন, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং উদ্যানপালন। শংকর ঘোষ পেলেন পরিষদীয় বিষয়ক ও পর্যটন। নিশীথ প্রামাণিকের কাছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও জলসম্পদ উন্নয়ন। অরূপকুমার দাস পেলেন সেচ ও জলপথ। অশোক কীর্তনিয়া পেলেন খাদ্য ও সরবরাহ এবং সমবায়। ক্ষুদিরাম টুডু পেলেন আদিবাসী ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা। দীপক বর্মনের দায়িত্বে স্কুলশিক্ষা, আবাসন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প ও বস্ত্র। মনোজ ওরাওঁ পেলেন বন ও পরিবেশ। গৌরীশঙ্কর ঘোষ পেলেন অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন, জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার। অজয় পোদ্দার পেলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও পূর্ত। দুধকুমার মণ্ডল পেলেন কৃষি। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে ইন্দ্রনীল খাঁ পেলেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং উপভোক্তা বিষয়ক। মালতি রাভা রায় পেলেন নারী ও শিশুকল্যাণ, সমাজকল্যাণ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, স্বনিযুক্তি ও প্রকল্প পর্যবেক্ষণ। রাজেশ মাহাতো পেলেন প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য। রাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে জুয়েল মুর্মু পেলেন আদিবাসী উন্নয়ন, সেচ ও জলপথ। হরেকৃষ্ণ বেরা পেলেন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন। আনন্দময় বর্মণ পেলেন পরিবহণ ও অর্থ। অশোক দিন্দা পেলেন কৃষিবিপণন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প ও বস্ত্র। নদিয়ারচাঁদ বাউড়ি পেলেন পূর্ত ও অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন। বিশাল লামা পেলেন স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক, সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা। শান্তনু প্রামাণিক পেলেন খাদ্য ও সরবরাহ, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন। মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র পেলেন শিল্প-বাণিজ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি। পূর্ণিমা চক্রবর্তী পেলেন তথ্য ও সংস্কৃতি এবং পর্যটন। কৌশিক চৌধুরি পেলেন স্কুলশিক্ষা, দমকল ও জরুরি পরিষেবা। ভাস্কর ভট্টাচার্য পেলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও শ্রম। দিবাকর ঘরামি পেলেন সমবায়, বন ও পরিবেশ। অমিয় কিস্কু পেলেন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, উদ্যানপালন ও কৃষি। কলিতা মাজি পেলেন আবাসন। গার্গী দাস ঘোষ পেলেন বিদ্যুৎ, অচিরাচরিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি। বিরাজ বিশ্বাস পেলেন আইন, বিচারবিভাগীয় ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন। দীপঙ্কর জানা পেলেন ভূমি ও ভূমি সংস্কার, ত্রাণ ও উদ্বাস্তু পুনর্বাসন এবং সুন্দরবন উন্নয়ন। সুমনা সরকার পেলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ। উমেশ রাই পেলেন পরিষদীয় বিষয়ক ও পুর ও নগরোন্নয়ন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *