সামগ্রিক উন্নয়নের ছবি থাকা এবং সুদূরপ্রসারী বাজেট বলে এজিপির মন্তব্য
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রস্তুত করা ২০২৬-২৭ বর্ষের অসম বাজেটকে অসম গণ পরিষদ আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক অংশুমান দত্ত।
আজ অসম বিধানসভায় অর্থমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বড়ুয়া পেশ করা বাজেটে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন, বেকার সমস্যা হ্রাস, পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দুই লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার লক্ষ্য, গুয়াহাটি বিমানবন্দরকে আরও সক্ষম আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা, এবং অরুণোদয় ও নিযুত মইনা-র মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্যের সব স্তরের মানুষকে উপকৃত করবে বলে অগপ মনে করে।
অসমের অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে ২০২৬-২৭ বর্ষের বাজেটে মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৫০৮৪.৪৫ কোটি টাকায়। একইসঙ্গে বাজেটে রাজ্যের মোট রাজ্য অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ৩ শতাংশের মধ্যে আর্থিক ঘাটতি সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করাকে অগপ শক্তিশালী অর্থনীতির অন্যতম দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
অসম গণ পরিষদ মনে করে, এই বাজেট মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে গঠিত এনডিএ জোট সরকারের উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আত্মনির্ভর, সমৃদ্ধ ও বিকশিত অসম গড়ার পথ আরও সুগম করবে।
এই উন্নয়নমুখী বাজেটের জন্য অগপ মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা, অর্থমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বড়ুয়া এবং অসম সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে।
অগপ সভাপতি ও মন্ত্রী অতুল বড়া বাজেটের প্রশংসা করে বলেন— গ্রামোন্নয়ন, কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিকাঠামো, যুবশক্তির বিকাশ, নারী ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা সহ উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রকে এই বাজেট দৃঢ়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই জনকল্যাণমুখী বাজেট আত্মনির্ভর, সমৃদ্ধ ও বিকশিত অসমের দিকে আমাদের অগ্রগতির যাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।
অন্যদিকে, অগপ-র কার্যকরী সভাপতি ও মন্ত্রী কেশব মহন্ত আজ বিধানসভায় পেশ হওয়া ২০২৬-২৭ বর্ষের পূর্ণাঙ্গ রাজ্য বাজেটকে মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মার দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বে অসমকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসেবে গড়ে তুলতে এনডিএ জোট সরকারের প্রয়াসের ভিত্তি বলে উল্লেখ করেন। অসমকে স্বনির্ভর করে তুলতে উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের পথ খোলা এবং গ্রামাঞ্চলের দ্রুত বিকাশের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির কাঠামো গড়ার ক্ষেত্রে বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও মহন্ত জানান।












