আসন্ন ৬৬তম বড়ো সাহিত্য সভা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: রাজ্যের বড়ো সমাজের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন এবং আসন্ন ৬৬তম বড়ো সাহিত্য সভার প্রস্তুতি নিয়ে আজ গুয়াহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মার সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মাননীয় মন্ত্রী বিশ্বজিৎ দৈমারী এবং মাননীয় বিধায়ক বিশ্বজিৎ ফুকনের নেতৃত্বে বড়ো সাহিত্য সভা, ইউনাইটেড বড়ো পিপলস অর্গানাইজেশন এবং বড়ো কাছারি কল্যাণ স্বায়ত্তশাসিত পরিষদের এক যৌথ প্রতিনিধি দল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে ৬৬তম বড়ো সাহিত্য সভার অভ্যর্থনা সমিতির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে আসন্ন ৬৬তম বড়ো সাহিত্য সভার প্রস্তুতি, অধিবেশনের রূপরেখা এবং সম্মেলনকে সার্বিকভাবে সফল করার পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবগত করা হয়। পাশাপাশি বড়ো ভাষার প্রচার-প্রসার, সাহিত্য চর্চা এবং বড়ো সংস্কৃতিকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরার বিষয়েও আলোচনা হয়।
প্রতিনিধি দলটি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে সম্মেলনের জন্য আর্থিক ও প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি বড়ো মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, বড়ো ভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ এবং বড়ো শিল্পীদের জন্য বিশেষ প্রকল্পের বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সবকিছু শোনার পর মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা বড়ো সমাজের সার্বিক উন্নয়নে রাজ্য সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “বড়ো ভাষা ও সংস্কৃতি হল অসমের গর্ব। এই সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে রক্ষা করা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব।” আসন্ন ৬৬তম বড়ো সাহিত্য সভা সফল করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা দেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
মুখ্যমন্ত্রীর ইতিবাচক সাড়া পেয়ে প্রতিনিধি দল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে সরকারের সহযোগিতায় এবারের সাহিত্য সভা বড়ো সমাজের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধিবেশন হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর অনুষ্ঠিত বড়ো সাহিত্য সভা বড়ো ভাষা ও সাহিত্যের সর্ববৃহৎ মঞ্চ। এবারের ৬৬তম অধিবেশনকে ঘিরে বড়ো অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।












