,

মনীষী স্মরণ ও মেধাবী ছাত্রছাত্রী সংবর্ধনা করল মাতৃভাষা সুরক্ষা সমিতি

১৯ জন প্রথম বিভাগ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে অলকা রায় স্মৃতি সংবর্ধনা, শিল্পী অমৃতা চৌধুরীকেও সম্মাননা বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: ভাষা-সংস্কৃতি ও মনীষী চর্চার অঙ্গীকার নিয়ে বরাক উপত্যকা মাতৃভাষা সুরক্ষা সমিতি, কাছাড় জেলা কমিটি রবিবার আম্বিকাপট্টি কার্যালয়ে মাসিক মনীষী স্মরণ অনুষ্ঠান পালন করল। একই সাথে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা বিষয়ে লেটার মার্কসহ প্রথম বিভাগ প্রাপ্ত ১৯ জন মেধাবী ছাত্রছাত্রীকে…

১৯ জন প্রথম বিভাগ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে অলকা রায় স্মৃতি সংবর্ধনা, শিল্পী অমৃতা চৌধুরীকেও সম্মাননা

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: ভাষা-সংস্কৃতি ও মনীষী চর্চার অঙ্গীকার নিয়ে বরাক উপত্যকা মাতৃভাষা সুরক্ষা সমিতি, কাছাড় জেলা কমিটি রবিবার আম্বিকাপট্টি কার্যালয়ে মাসিক মনীষী স্মরণ অনুষ্ঠান পালন করল। একই সাথে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা বিষয়ে লেটার মার্কসহ প্রথম বিভাগ প্রাপ্ত ১৯ জন মেধাবী ছাত্রছাত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের সূচনায় মনীষীদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, প্রদীপ প্রজ্বলন ও সমিতি সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এ মাসে বীর বিরসা মুন্ডা, বিপ্লবী রামপ্রসাদ বিসমিল, শহিদ কুশোল কুয়োর, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, কলাগুরু বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ও কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

“মনীষীদের আদর্শে সমাজ সুশৃঙ্খল হবে”
প্রারম্ভিক বক্তব্যে জেলা সভাপতি সুনীল রায় মনীষীদের জীবন, ত্যাগ ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশকে ইংরাজের শাসনমুক্ত করার প্রথম সংগঠিত সশস্ত্র বিপ্লবের সংগঠক ছিলেন বিরসা মুন্ডা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা অঞ্জু এন্দো, সহ সভাপতি আব্দুর রহমান লস্কর, আইনজীবী সুব্রত ভট্টাচার্য, ড.কস্তুরী হোমচৌধুরী, সুপ্রভা রাজকুমারী, সাহিত্য সম্পাদক রানোতোষ দে প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মনীষীদের জীবনাদর্শ গ্রহণ করলে ব্যক্তিগত জীবন যেমন সুন্দর হবে, তেমনি সমাজ ও রাষ্ট্রও সমৃদ্ধ হবে।

মেধাবীদের সংবর্ধনা ও বিশেষ সম্মাননা
বিগত মে মাসের মতো এবারও অলকা রায় ভট্টাচার্য স্মৃতিতে বাংলা বিষয়ে লেটার মার্কসসহ প্রথম বিভাগ প্রাপ্ত কৌস্তব চক্রবর্তী, বিজয়া সূত্রধর, রিতু দাস, অমৃতা দাস, রিয়া দাস, বৈশালী দাস, সোমা বৈষ্ণব, মহাশ্বেতা দাস, শ্রীজেয় বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপা দেবনাথ, নিপা দাস, দীপা দাস, স্নেহা দাস, দুর্গা দাস, রুমিনা বেগম মাজারভূঁইয়া, রিয়া পাল, নীলু দাস, সোনালী দাস ও অনিশ্বা পালকে সংবর্ধনা স্মারক দেওয়া হয়।

এছাড়া ২০০৭ সালে ১৯৬১ সালের ১১ জন ভাষা শহিদের ছবি প্রথমবার রঙিন ও ফুলের অলংকরণ করে সাময়িকী ‘মাতৃভাষা’-তে প্রকাশের জন্য শিক্ষিকা অমৃতা চৌধুরী রায়কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে জেলা কমিটি।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মনি দে। সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন সুমিত্রা চৌধুরী, সুতপা দে, মনি দে, ড. শ্রাবণী সরকার হোম চৌধুরী, শিপ্রা দাস, মঞ্জুশ্রী চক্রবর্তী, শিবানী দাস, পুঁজা সূত্রধর প্রমুখ শিল্পী। সহযোগিতায় ছিলেন দেবলীনা রায় ও আইনজীবী বীরু রঞ্জন নাথ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন সমিতির প্রচার ও সমন্বয় সম্পাদক সুতপা দে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *