,

আজমলের দুই কোটিতে অসমীয়া জাতিসত্তা বিক্রি করবেন না : হিন্দু সুরক্ষা সেনা

নিজস্ব প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : বদরুদ্দিন আজমলের দুই কোটি টাকায় অসমীয়া জাতিসত্তা বিক্রি করবেন না। সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছে রাষ্ট্রবাদী ভাবধারার জাতীয় সংগঠন হিন্দু সুরক্ষা সেনা, অসম। আজ এক প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাঞ্চন নাথ এবং সম্পাদক মিঠুন দাস বলেন, উজনি অসমের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আজমল দুই কোটি টাকা সাহায্য…

নিজস্ব প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : বদরুদ্দিন আজমলের দুই কোটি টাকায় অসমীয়া জাতিসত্তা বিক্রি করবেন না। সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছে রাষ্ট্রবাদী ভাবধারার জাতীয় সংগঠন হিন্দু সুরক্ষা সেনা, অসম।

আজ এক প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাঞ্চন নাথ এবং সম্পাদক মিঠুন দাস বলেন, উজনি অসমের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আজমল দুই কোটি টাকা সাহায্য হিসেবে এগিয়ে আসার পর এক শ্রেণির মানুষ যে ধরনের আত্মঘাতী উন্নাসিকতা প্রদর্শন করছে, সেই উন্নাসিকতার পরিপ্রেক্ষিতেই সেনাকে এই আহ্বান জানাতে বাধ্য হতে হয়েছে।

বিবৃতিতে নাথ এবং দাস আরও বলেন, এই ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য শুধু বদরুদ্দিন আজমলই নয়, অন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য এগিয়ে দিয়েছেন এবং প্রতিটি সাহায্যেরই মানবিক মূল্য একই। আজমল হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক, তাই দুই কোটি টাকা সাহায্য হিসেবে দিতে পেরেছেন, যেটা অনেকের কাছে বিশাল অঙ্ক হলেও স্বয়ং আজমলের কাছে অতি সামান্য পরিমাণ।

অন্যদিকে আজমলের পাশাপাশি সৎসঙ্গের তরফ থেকেও মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দুই কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অনিল দাস ও মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে একই দুই কোটি টাকা দিয়েছেন। অথচ তাঁদের নিয়ে কেউ কোনো আলোচনা করছে না শুধু আজমলের দানশীলতা নিয়েই সবাই উন্নাসিক হয়ে উঠেছে, যা আমাদের জন্য এক ভয়াবহ ভবিষ্যতের স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

একই বিবৃতিতে সেনার দুই কর্মকর্তা বলেন, আজমল দুই কোটি কেন, দুই হাজার কোটি টাকা দিলেও অসমে খিলঞ্জিয়ার বিরুদ্ধে মিঞাদের আগ্রাসন বা হিন্দুর বিরুদ্ধে মুসলমানের শতাব্দীজোড়া আগ্রাসনের বাস্তবতা মুছে যাবে না। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজমলের দুই হাজার কোটি টাকার চাকচিক্যে ভুলে গিয়ে অনেকে এখন সেই বাস্তবতাকেই অস্বীকার করতে উঠেপড়ে লেগেছে।

তাঁরা বলেন, যদি এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে, তাহলে অসমে অদূর ভবিষ্যতে আজমলের সাহায্য নেওয়ার মতো কোনো খিলঞ্জিয়া বা হিন্দুই বেঁচে থাকবে না এবং তখন কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মতো শরণার্থী হিসেবে দিহিং-দিপাংয়ে ঘুরে বেড়াতে বাধ্য হওয়া আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদেরকে মনে রাখবে লোভী, দূরদর্শিতাহীন, দুর্বল এক জনগোষ্ঠী হিসেবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *