,

বন্যার কঠিন সময়ে শিবসাগর-চরাইদেউয়ের পাশে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা, বানবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নিলেন

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। শিবসাগর : বন্যার কারণে বিপর্যস্ত শিবসাগর ও চরাইদেউ জেলার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা সরাসরি শুনতে শিবসাগর জেলায় উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। সকাল থেকেই তিনি জেলার বন্যা কবলিত বিভিন্ন অঞ্চল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং বন্যার কারণে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শনকালে…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। শিবসাগর : বন্যার কারণে বিপর্যস্ত শিবসাগর ও চরাইদেউ জেলার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা সরাসরি শুনতে শিবসাগর জেলায় উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। সকাল থেকেই তিনি জেলার বন্যা কবলিত বিভিন্ন অঞ্চল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং বন্যার কারণে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শনকালে তিনি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া এবং নিজেদের বাড়িতে জলবন্দি হয়ে থাকা বানবাসী পরিবারগুলির সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। তাদের খাওয়া-দাওয়া, চিকিৎসা, বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং পুনর্বাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার কথা মন দিয়ে শোনেন এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা। এছাড়াও তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের বিভাগীয় অন্যান্য মন্ত্রী, জেলার উচ্চপদস্থ আমলা ও সরকারি আধিকারিকরা। চন্টকর থেকে নেপালীখুঁটি পর্যন্ত বিস্তৃত বন্যা কবলিত এলাকাগুলি তারা একসঙ্গে ঘুরে দেখেন।

ভেঙে যাওয়া বাড়িঘর, ডুবে যাওয়া বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ও সেতু এবং বিপর্যস্ত জনজীবন স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করে বন্যা দুর্গতদের সমস্যাগুলি হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শ্রী নাড্ডা বলেন, “এই সংকটের সময়ে অসমের মানুষ একা নয়। অসমবাসীর পাশে কেন্দ্রীয় সরকার দৃঢ়তার সঙ্গে রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিদিন অসমের বন্যা পরিস্থিতির খোঁজ নিচ্ছেন এবং রাজ্যকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।” তাঁর এই উপস্থিতি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সহানুভূতি বানবাসী মানুষের মধ্যে নতুন করে আস্থা ও ভরসা জাগিয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। তিনি আরও বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে দ্রুত স্বস্তি দেওয়া, ক্ষয়ক্ষতির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং পুনর্বাসনের কাজে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে দায়বদ্ধ। কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কঠিন সময় অতি শীঘ্রই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *