,

প্রথমে দেশ নীতিই ভারতের রূপান্তরের চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী মোদী

বিশেষ প্রতিবেদন। নতুন দিল্লি: প্রথমে দেশ নীতিই ভারতকে দ্রুতবর্ধনশীল, বিশ্বাসযোগ্য এবং নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক শক্তিতে রূপান্তরের চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নতুন দিল্লিতে এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের আয়োজিত সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে দেশের অর্জন বিশ্বাস, স্থিতিশীলতা এবং বৃহত্তর বৈশ্বিক মঙ্গলের প্রতি অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। সম্প্রতি সাত…

বিশেষ প্রতিবেদন। নতুন দিল্লি: প্রথমে দেশ নীতিই ভারতকে দ্রুতবর্ধনশীল, বিশ্বাসযোগ্য এবং নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক শক্তিতে রূপান্তরের চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নতুন দিল্লিতে এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের আয়োজিত সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে দেশের অর্জন বিশ্বাস, স্থিতিশীলতা এবং বৃহত্তর বৈশ্বিক মঙ্গলের প্রতি অঙ্গীকারের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। সম্প্রতি সাত শিল্পোন্নত দেশের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, বিশ্ব নেতারা জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ভারতের অটল প্রতিশ্রুতিকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এই দর্শনই দেশের নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারণ করে চলেছে। গত ১২ বছরে সরকারের উদ্যোগের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পরিচ্ছন্ন ভারত অভিযান, ভারতে তৈরি করো, খাদির প্রচার এবং দেশীয় পণ্যের সমর্থনের মতো উদ্যোগ নাগরিকরা দেশ গড়ার চেতনাকে আপন করে নেওয়ায় সফল হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এর ফলে এক বিশাল নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণি তৈরি হয়েছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েছে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্তকে ক্ষমতায়ন সরকারের মূল অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি সাশ্রয়ী আবাসন উদ্যোগ, কর সংস্কার, স্বাস্থ্য প্রকল্প এবং উন্নত শহর পরিকাঠামোর কথা বলেন। আবাসন প্রকল্পের বিশেষ তহবিলের মতো প্রকল্প হাজার হাজার আটকে থাকা আবাসন ইউনিট সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করেছে। ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা ও সরলীকৃত কর ব্যবস্থা কাগজপত্রের ঝামেলা কমিয়ে স্বচ্ছতা বাড়িয়েছে। ভারতের ক্রমবর্ধমান পরিকাঠামো নেটওয়ার্কের কথা বলতে গিয়ে মোদী জানান, এখন মেট্রো ব্যবস্থা প্রতিদিন এক কোটির বেশি যাত্রীকে পরিষেবা দিচ্ছে। ভারতের দ্রুতগামী ট্রেন, নতুন প্রজন্মের ট্রেন ও সংস্কার করা ট্রেন, সম্প্রসারিত রাজপথ ও বিমানবন্দর যোগাযোগকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধের দোকানের মাধ্যমে সাশ্রয়ী ওষুধ এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সম্প্রসারিত স্বাস্থ্য কভারেজ লক্ষ পরিবারের পকেট খরচ কমিয়েছে। বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মধ্যেও ভারত অভূতপূর্ব সুযোগের যুগে প্রবেশ করছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের যুবক, উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক ও নতুন উদ্যোগগুলোকে উদীয়মান সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি। ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভবিষ্যতে উন্নত ভারতের লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন মোদী।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *