,

প্রকৃত ভারতীয়দের আটক ও বাংলাদেশে পাঠানো বন্ধের দাবি সর্ব ভারতীয় সংযুক্ত গণতান্ত্রিক মোর্চার

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি। উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাতিলেরও আবেদন বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: অসম সরকারের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বিরোধী অভিযানের আড়ালে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের যেন আটক ও বাংলাদেশে পাঠানো না হয় সেই দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মার কাছে স্মারকলিপি দিল সর্ব ভারতীয় সংযুক্ত গণতান্ত্রিক মোর্চা। বুধবার ৮ জুলাই ২০২৬ বদরুদ্দিন আজমল সহ দলের ৬ জন…

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি। উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাতিলেরও আবেদন

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: অসম সরকারের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বিরোধী অভিযানের আড়ালে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের যেন আটক ও বাংলাদেশে পাঠানো না হয় সেই দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মার কাছে স্মারকলিপি দিল সর্ব ভারতীয় সংযুক্ত গণতান্ত্রিক মোর্চা। বুধবার ৮ জুলাই ২০২৬ বদরুদ্দিন আজমল সহ দলের ৬ জন নেতা স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে দলটি আইন মেনে বিদেশিদের চিহ্নিতকরণ নির্বাসন ও উচ্ছেদের পক্ষে কিন্তু একশ বছরের বেশি সময় ধরে অসমে বসবাসকারী এবং বৈধ নাগরিকত্বের নথি থাকা সত্ত্বেও মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেক ভারতীয় নাগরিককে ভুল করে আটক বা সীমান্ত পেরিয়ে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে সন্দেহভাজনদের রাতের বেলায় সীমান্তে পাঠানো হচ্ছে এবং প্রতিবেশী দেশ তাদের গ্রহণ না করায় দুই দেশের সীমান্তের মাঝের ১৩৭ মিটার ফাঁকা জায়গায় তারা আটকে পড়ছেন। উদাহরণ হিসেবে নলবাড়ির সাকিনা খাতুনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যিনি ভারতীয় নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিলেন এবং পরে ভারত সরকারকেই তাকে ফিরিয়ে আনতে হয়েছে। দলের নেতা রফিকুল ইসলাম বলেছেন কোনো ব্যক্তিকে সীমান্তের ওপারে পাঠানোর আগে যথাযথভাবে নথি যাচাই এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে গত দুই বছরে রাজ্য সরকার উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বহু পরিবারকে গৃহহীন করেছে। আইন অনুযায়ী সরকারি জমি থেকে অবৈধ দখল সরানো হলেও উচ্ছেদ হওয়া মানুষদের মানবিকভাবে দেখতে হবে। অনেক পরিবার এখনও আশ্রয়হীন শিশুরা পড়াশোনা বন্ধ করেছে অনেকে জীবিকার সংকটে পড়েছেন। তাই অবিলম্বে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলিকে বাড়ি শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধা দিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং বিকল্প জমি বা বাসস্থান ঠিক না করে আর কোনো উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না। একই সঙ্গে মে মাসে বিধানসভায় পাশ হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে এই আইনের কিছু ধারা মুসলিমদের ধর্মীয় আচার ব্যক্তিগত আইন ও প্রথাগত রীতিনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে যা সংবিধানের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অধিকারের পরিপন্থী। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের ভাষা সংস্কৃতি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকার রক্ষার কথাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এখনও এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *