,

জাপানি এনকেফেলাইটিসের বিরুদ্ধে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি, সব জেলাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ

জাপানি এনকেফেলাইটিস নিয়ন্ত্রণ, যক্ষ্মা নির্মূল অভিযানের অগ্রগতি পর্যালোচনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অশোক সিংহল: উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অশোক সিংহল সোমবার বিকেল ৪টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যের সব জেলার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা সভা করেন। সভায় বর্তমানে জাপানি এনকেফেলাইটিস ও জাপানি এনকেফেলাইটিস সদৃশ রোগের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, প্রতিরোধমূলক ও চিকিৎসামূলক ব্যবস্থা এবং যক্ষ্মা মুক্ত ভারত…

জাপানি এনকেফেলাইটিস নিয়ন্ত্রণ, যক্ষ্মা নির্মূল অভিযানের অগ্রগতি পর্যালোচনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অশোক সিংহল: উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অশোক সিংহল সোমবার বিকেল ৪টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যের সব জেলার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা সভা করেন। সভায় বর্তমানে জাপানি এনকেফেলাইটিস ও জাপানি এনকেফেলাইটিস সদৃশ রোগের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, প্রতিরোধমূলক ও চিকিৎসামূলক ব্যবস্থা এবং যক্ষ্মা মুক্ত ভারত অভিযানের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই ভিডিও কনফারেন্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে আরও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, জনসাধারণকে উন্নত, সময়োপযোগী ও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সব বিভাগকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একইসঙ্গে সরকারের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রকল্পগুলি সঠিক সময়ে ও সুষ্ঠুভাবে রূপায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেন।

জাপানি এনকেফেলাইটিস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগাম রোগ শনাক্তকরণ, জ্বরে আক্রান্ত রোগীর পর্যবেক্ষণ, জনসাধারণের মধ্যে মশারির ব্যবহার বৃদ্ধি, বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে তথ্য ও চিকিৎসার সমন্বয় জোরদার করা, মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য ধোঁয়া দেওয়ার কাজ নিয়মিত চালানো এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলিতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি যক্ষ্মা নির্মূল অভিযান আরও ত্বরান্বিত করার ওপরও তিনি জোর দেন। বিশেষ করে কম ফলাফল দেখানো জেলাগুলিকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করে রোগী শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় নিক্ষয় পোষণ যোজনার অধীনে যক্ষ্মা রোগীদের পুষ্টিগত সহায়তা সময়মতো দেওয়ার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, এ বিষয়ে মেডিকেল কলেজগুলির অধ্যক্ষ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ নেওয়া হয় যাতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা যায়।

সভায় সব জেলার জেলাশাসক, স্বায়ত্তশাসিত পরিষদের মুখ্য সচিব, স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত জেলাশাসক, যুগ্ম স্বাস্থ্য পরিষেবা সঞ্চালক, মেডিকেল কলেজগুলির অধ্যক্ষ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা অংশ নেন। এছাড়াও সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের কমিশনার-সচিব ডাঃ পি. অশোক বাবু, অতিরিক্ত সচিব মুনীন্দ্র নাথ ঙাটে, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন অসমের মিশন ডিরেক্টর ডাঃ লক্ষ্মন এস, চিকিৎসা শিক্ষা সঞ্চালক ডাঃ মনোজ কুমার চৌধুরী, এনএইচএম অসমের কার্যনির্বাহী সঞ্চালক ডাঃ অভিজিৎ শর্মা ও স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য বরিষ্ঠ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভার শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অশোক সিংহল সব জেলাকে জাপানি এনকেফেলাইটিস নিয়ন্ত্রণ, যক্ষ্মা নির্মূল অভিযান, মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সরকারের স্বাস্থ্য প্রকল্পগুলি সময়মতো ও কার্যকরভাবে রূপায়ণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *