,

গুয়াহাটিকে ঘিরে স্যাটেলাইট সিটি, মানকাচরে আসছে নতুন চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়: ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: অসমের রাজধানী গুয়াহাটিকে ঘিরে নতুন স্যাটেলাইট সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মঙ্গলবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে দীর্ঘ ভাষণে তিনি রাজ্যের পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিয়ে একাধিক বড় প্রতিশ্রুতি দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ৫ বছরের মধ্যে পশ্চিম অসমের মানকাচরে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। এর ফলে ধুবড়ি, কোকড়াঝাড়…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: অসমের রাজধানী গুয়াহাটিকে ঘিরে নতুন স্যাটেলাইট সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মঙ্গলবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে দীর্ঘ ভাষণে তিনি রাজ্যের পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিয়ে একাধিক বড় প্রতিশ্রুতি দেন।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ৫ বছরের মধ্যে পশ্চিম অসমের মানকাচরে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। এর ফলে ধুবড়ি, কোকড়াঝাড় সহ গোটা পশ্চিম অসমের মানুষ উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা ঘরের কাছেই পাবেন।

এক লক্ষ যুবকের কাজের সুযোগ
হিমন্তবিশ্ব শর্মা বলেন, গুয়াহাটিকে স্যাটেলাইট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার রূপরেখা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শুধু শহরের সম্প্রসারণই হবে না, রাজ্যের আর্থিক বৃদ্ধিও ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি অন্তত এক লক্ষ যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থান হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

পরিকাঠামো ও বিদ্যুতে বড় বিনিয়োগ
পরিবহণ ক্ষেত্রে আগামী ৫ বছরে ২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এর আওতায় রেলপথের আধুনিকীকরণ, নতুন সড়ক সংযোগ এবং বিমানবন্দরের পরিকাঠামো উন্নত করা হবে। লক্ষ্য একটাই, রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তের সঙ্গে দ্রুত ও মসৃণ যোগাযোগ।

বিদ্যুৎ উৎপাদনেও লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে অসমের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৮৪৫৭ মেগাওয়াট। আগে যা ছিল মাত্র ৪৫০ মেগাওয়াট। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে উত্তর-পূর্বে অসমই সবচেয়ে এগিয়ে। তবে অরুণাচল প্রদেশ ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াটের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আগামী ১০ বছরে সেই সব প্রকল্প শেষ হলে অরুণাচলের অর্থনীতি অসমের দ্বিগুণ হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এই প্রসঙ্গে তিনি রাজ্যের একাংশের বিরোধিতার কথাও তোলেন। বলেন, “অসমে কোনও উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিলেই কিছু সংগঠন বাধা দেয়। অথচ অরুণাচল বা অন্ধ্রপ্রদেশের গ্রামের মানুষ নিজেরাই স্বেচ্ছায় জমি দিচ্ছেন রাজ্যের উন্নতির জন্য।”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *