পিএম শ্রী ‘গাঁওয়ে গাঁওয়ে যোগ মহা-অভিযান’-এর ১ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সফল সমাপ্তি, সিএমটিসি ইটখোলায় অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠান
জনসংযোগ। ৪ জুলাই: যোগকে গ্রামাঞ্চল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত পিএম শ্রী ‘গাঁওয়ে গাঁওয়ে যোগ মহা-অভিযান’ বেসিক লেভেল–১ দিনের সমন্বিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় আয়ুষ মিশন, কাছাড়ের উদ্যোগে শিলচরের ইটখোলাস্থ কমিউনিটি বেসড ট্রেনিং সেন্টারে শুক্রবার অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে ১২০ জন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে প্রশিক্ষণ সম্পন্নের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাছাড়ের অতিরিক্ত জেলা আয়ুক্ত মনোজ্যোতি কুটুম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় আয়ুষ মিশন, কাছাড়ের ভারপ্রাপ্ত জেলা নোডাল আধিকারিক ডা. সোনম পাণ্ডে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অতিরিক্ত জেলা আয়ুক্ত মনোজ্যোতি কুটুম অসমের মাননীয় রাজ্যপালের উদ্যোগে শুরু হওয়া পিএম শ্রী ‘গাঁওয়ে গাঁওয়ে যোগ মহা-অভিযান’-এর প্রশংসা করেন। পাশাপাশি এই কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন এবং জাতীয় আয়ুষ মিশন, কাছাড়ের উদ্যোগেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, যোগ কেবল শরীরচর্চা নয়, এটি এমন এক জীবনধারা যা শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি, শৃঙ্খলাবোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নবপ্রশিক্ষিত প্রশিক্ষকদের গ্রাম, বিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সর্বস্তরে নিয়মিত যোগচর্চা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. সোনম পাণ্ডে প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করায় সকল অংশগ্রহণকারীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা তাঁদের তৃণমূল স্তরে যোগ প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনায় সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তিনি সকল প্রশিক্ষককে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা এবং সার্বিক সুস্থতার জন্য দৈনন্দিন জীবনে যোগচর্চাকে জনপ্রিয় করে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।
১ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে যোগের ব্যবহারিক অনুশীলন, তাত্ত্বিক পাঠ, সুস্থ জীবনযাপন এবং সমাজভিত্তিক সচেতনতা গড়ে তোলার নানা বিষয় নিয়ে বিশদ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজ এলাকায় যোগচর্চা পরিচালনা ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য প্রস্তুত হন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ধন্যবাদজ্ঞাপন পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এদিন নবপ্রশিক্ষিত যোগ প্রশিক্ষকেরা কাছাড় জেলার গ্রাম ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগচর্চা এবং সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও গ্রহণ করেন।












