,

কলকাতায় নতুন অসম ভবন, জানুয়ারি থেকে শুরু কাজ

রাসেলস্ট্রিটের পুরনো ভবন ভেঙে ১০০ জনের আবাসন, সল্টলেকও নতুন করে তৈরি হবে: মুখ্যমন্ত্রী বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন : অসমের মানুষের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আধুনিক আবাসন ও সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ আরও জোরদার করছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা রবিবার ঘোষণা করেছেন, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে দেশের একাধিক শহরে অসম ভবনের কাজ শুরু হবে। এর মধ্যে…

রাসেলস্ট্রিটের পুরনো ভবন ভেঙে ১০০ জনের আবাসন, সল্টলেকও নতুন করে তৈরি হবে: মুখ্যমন্ত্রী

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন : অসমের মানুষের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আধুনিক আবাসন ও সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ আরও জোরদার করছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা রবিবার ঘোষণা করেছেন, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে দেশের একাধিক শহরে অসম ভবনের কাজ শুরু হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হচ্ছে কলকাতায়।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, কলকাতার রাসেলস্ট্রিটে অবস্থিত পুরনো অসম ভবনটি ভেঙে সেখানে সম্পূর্ণ নতুন একটি ভবন তৈরি করা হবে। নতুন এই ভবনে একসঙ্গে ১০০ জন থাকার ব্যবস্থা থাকবে। চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা ও সরকারি কাজে কলকাতায় যাওয়া অসমের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই আবাসনের। সেই কথা মাথায় রেখেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কলকাতার প্রকল্পটির কাজ শুরু হচ্ছে।

কলকাতার পাশাপাশি সল্টলেকের অসম ভবনটিও নতুন করে তৈরি হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সল্টলেকের আগের নির্মাণের কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল। তাই ওই ভবন ভেঙে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সহ নতুন করে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজধানী দিল্লিতেও অসমের পরিকাঠামো বড় আকারে সম্প্রসারিত হচ্ছে। বর্তমানে অসম হাউসের পুনর্নির্মাণ চলছে, যা ২০২৬ সালের শেষে শেষ হবে। এর পাশাপাশি সেন্ট্রাল দিল্লি ও দ্বারকায় আরও তিনটি নতুন কমপ্লেক্স তৈরি হচ্ছে। দ্বারকার একটি কমপ্লেক্সে নামঘর ও কনভেনশন হল থাকবে। দ্বারকাতেই কার্বি ভবন ও ডিমাসা ভবনের কাজও এগোচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারের পরবর্তী পরিকল্পনা হল বরাক উপত্যকার নামে পৃথক ‘বরাক ভবন’ তৈরি করা, যাতে দিল্লিতে আসা বরাকের মানুষ উপকৃত হন।

একই সঙ্গে মুম্বাই, মাদ্রাজ, ভেলোর সহ দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরেও নতুন অসম ভবনের কাজ শুরু হবে। মুম্বাইয়ে ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার জন্য এবং অসম সরকারের প্রশাসনিক কাজের জন্য আলাদা ভবন তৈরি করতে জমিও কেনা হয়ে গেছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ভবনগুলি শুধু থাকার জায়গা নয়। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বাইয়ের মতো শহরে থাকা অসমবাসীর সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবেও এগুলি কাজ করবে। লক্ষ্য একটাই, দেশের যে কোনো প্রান্তে গেলেও অসমের মানুষ যেন সরকারি সহায়তা ও নিরাপদ আশ্রয় পান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *