,

আবাসের ঘর দেওয়ার নামে কাটমানি, তৃণমূল নেতাকে জামা খুলিয়ে রাস্তায় ঘোরাল বিক্ষুব্ধরা

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে বীরভূমের দুবরাজপুরে তৃণমূল নেতাকে জামা খুলিয়ে রাস্তায় ঘোরাল বিক্ষুব্ধ জনতা। বৃহস্পতিবার দুবরাজপুর পুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ছবি: জামা খোলা অবস্থায় তৃণমূল নেতা ধনঞ্জয় গড়াই ওরফে ধনু মাস্টারকে ঘিরে রেখেছেন বিক্ষুব্ধরা। একজন তাঁর হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। পিছনে ক্ষুব্ধ জনতা। দেওয়ালের ধারে দাঁড়িয়ে একজন…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগে বীরভূমের দুবরাজপুরে তৃণমূল নেতাকে জামা খুলিয়ে রাস্তায় ঘোরাল বিক্ষুব্ধ জনতা। বৃহস্পতিবার দুবরাজপুর পুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

ছবি:

জামা খোলা অবস্থায় তৃণমূল নেতা ধনঞ্জয় গড়াই ওরফে ধনু মাস্টারকে ঘিরে রেখেছেন বিক্ষুব্ধরা। একজন তাঁর হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। পিছনে ক্ষুব্ধ জনতা। দেওয়ালের ধারে দাঁড়িয়ে একজন মোবাইলে ছবি তুলছেন।

কী অভিযোগ?
অভিযোগ, দুবরাজপুর পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ভাস্কর রুজের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আবাসের ঘর দেওয়ার নাম করে গরিব মানুষের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা আদায় করেছেন তিনি।

স্থানীয়রা বলছেন, “কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, কারও কাছ থেকে ১৫ হাজার, কেউ আবার ৩০ হাজার পর্যন্ত দিয়েছেন ওই কাউন্সিলরকে।” কিন্তু টাকা নিয়েও কাউকে ঘর দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

সরকার বদলাতেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ
স্থানীয় এক বিজেপি নেতার অভিযোগ, “৪ তারিখের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ওই কাউন্সিলর ও তাঁর দলবল। আজকে তারই রোষ উগড়ে দিয়েছেন মানুষ।”

স্থানীয়দের দাবি, “বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তৃণমূল কাউন্সিলর ভাস্কর রুজের টিকি পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। ভয়ে এমন জায়গায় গা ঢাকা দিয়েছেন, স্থানীয়রা পর্যন্ত তাঁর হদিশ পাননি। ক্ষমা চাওয়া তো দূর, কাউন্সিলর ভয়ে ঘর থেকেই বেরোচ্ছেন না।”

নেতাকে ধরে মারধর
কাউন্সিলরকে না পেয়ে ক্ষোভ গিয়ে পড়ে তাঁর ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা ধনঞ্জয় গড়াই ওরফে ধনু মাস্টারের উপর। তাঁকে নাগালে পেতেই শুরু হয় বেধড়ক মারধর। টাকা ফেরতের দাবিতে জামা খুলিয়ে রীতিমতো গোটা এলাকায় ওই নেতাকে তাড়িয়ে তাড়িয়ে মারধর করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

পরনে জামা নেই। পরিমরি হয়ে ছুটছেন তিনি, পিছনে তেড়ে ক্ষিপ্ত জনতা। উড়ে আসছে একের পর এক কিল, চড়, ঘুষি। পায়ের চটি তুলে কেউ মারছেন সপাটে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *