,

আজই ‘নতুন তৃণমূল’? বিধানসভায় শক্তি দেখিয়ে চিঠি দেবেন ঋতব্রত, সঙ্গে ৫৩-৫৪ বিধায়ক

জোড়া ফুল প্রতীক দখলের জল্পনা। বিরোধী দলের তকমা পেতে পারেন ঋতব্রত কলকাতা। ২ জুন: বঙ্গ রাজনীতিতে আজই নতুন চিত্রনাট্য। আজ, বুধবার আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে ‘নতুন তৃণমূল’। বিধানসভায় শক্তি দেখিয়ে চিঠি দেবেন তৃণমূলের সদ্য বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫৩-৫৪ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে থাকলেই রাজ্যে নতুন তৃণমূল আত্মপ্রকাশ করতে পারে। এমনকি রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে তকমাও…

জোড়া ফুল প্রতীক দখলের জল্পনা। বিরোধী দলের তকমা পেতে পারেন ঋতব্রত

কলকাতা। ২ জুন: বঙ্গ রাজনীতিতে আজই নতুন চিত্রনাট্য। আজ, বুধবার আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে ‘নতুন তৃণমূল’। বিধানসভায় শক্তি দেখিয়ে চিঠি দেবেন তৃণমূলের সদ্য বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫৩-৫৪ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে থাকলেই রাজ্যে নতুন তৃণমূল আত্মপ্রকাশ করতে পারে। এমনকি রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে তকমাও পেতে পারেন তিনি। জোড়া ফুল প্রতীকও চলে আসতে পারে তাঁদের কাছে – এই জল্পনাই এখন তুঙ্গে।

কি ঘটছে:কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৈরি হতে চলেছে নতুন তৃণমূল। জোড়া ফুল প্রতীক হাতছাড়া হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলে ভাঙন তীব্র হয়েছে। এবার বড় সংখ্যায় বিধায়ক, সাংসদ দল ছাড়ছেন – সেই জল্পনা ক্রমে বাড়ছে।

আজ সকালের নাটক: আজ সকালে ঋতব্রত বিধানসভায় ঢুকতেই শোনা গিয়েছিল, ৫০ জন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়কের সই সম্বলিত চিঠি জমা দিতে চলেছেন তিনি। তবে সকাল পর্যন্ত তেমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিধানসভা থেকে বেরনোর সময় ঋতব্রত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। বিকেলে বিধানসভা থেকে বেরিয়ে চিঠি নিয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করলেন ঋতব্রত। জানালেন, ব্যক্তিগত কাজে তিনি বিধানসভায় ছিলেন। তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করার কথাও শোনা গিয়েছিল গতকাল, সোমবার। যদিও সেই বৈঠকের কথাও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

আজ বিকেলের প্ল্যান: তবে বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, আজই ‘নতুন তৃণমূল’ সংক্রান্ত চিঠি বিধানসভায় জমা দিতে চলেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, ৫৩-৫৪ জন তৃণমূল বিধায়কদের পাশেও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। চিঠি জমা দেওয়ার সময় ‘বিদ্রোহী’রা সকলেই বিধানসভায় উপস্থিত থাকবেন।

আজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক। সেখানে হাওড়ার সব তৃণমূল বিধায়ক যোগ দেবেন। জোর গলায় এদিন সেই দাবি করেছেন ঋতব্রত। সেই বৈঠকের পরেই ঋতব্রত বিধানসভায় উপস্থিত হবেন। তৃণমূলের বিধায়করাও সেখানে থাকবেন। আজই ‘নতুন তৃণমূল’ হিসেবে চিঠি জমা দেওয়া হচ্ছে।

নতুন তৃণমূলের জল্পনা জিইয়ে রেখে এদিন ঋতব্রত বলেন, “আমি আজ-এ বিশ্বাসী, কাল কী হবে জানি না, বলতে পারব না।”

বড় প্রশ্ন: ঋতব্রত পঞ্চাশের কিছু বেশি বিধায়কের সমর্থনে নতুন তৃণমূলের মালিকানা দাবি করতে পারেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, শুধু ৫০ বিধায়কের সমর্থনই কি পরিষদীয় দলে ভাঙনের জন্য যথেষ্ট? ওই বিধায়কদের সমর্থনে বলিয়ান হয়ে ঋতব্রত কি নিজেকে তৃণমূলের আসল ‘মালিক’ বলে দাবি করতে পারেন? দলের প্রতীক এবং যাবতীয় সম্পত্তির অধিকারী হিসাবে নিজেকে পেশ করতে পারেন? সেই চর্চাও শুরু হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *