,

অসমে মুগা সিল্কের বর্জ্য থেকে উচ্চমূল্যের সুতো তৈরির নতুন মিশন

‘মিশন সেনেহজোরি’ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : ভৌগোলিক নির্দেশক তকমা পাওয়া মুগা সিল্কের বর্জ্যকে উচ্চমূল্যের স্পান সুতোয় রূপান্তর করার লক্ষ্যে নতুন মিশন ঘোষণা করল অসম সরকার। অসমের সেরিকালচার চাষীদের উৎপাদিত চার ধরনের বাণিজ্যিক সিল্কের মধ্যে মুগা সবচেয়ে দামি। বাকি তিনটি হল এরি, পাট ও তসর। চলতি আর্থিক বছরের রাজ্য বাজেটের…

‘মিশন সেনেহজোরি’ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : ভৌগোলিক নির্দেশক তকমা পাওয়া মুগা সিল্কের বর্জ্যকে উচ্চমূল্যের স্পান সুতোয় রূপান্তর করার লক্ষ্যে নতুন মিশন ঘোষণা করল অসম সরকার।

অসমের সেরিকালচার চাষীদের উৎপাদিত চার ধরনের বাণিজ্যিক সিল্কের মধ্যে মুগা সবচেয়ে দামি। বাকি তিনটি হল এরি, পাট ও তসর। চলতি আর্থিক বছরের রাজ্য বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য বর্জ্য কমানো, সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা।

রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যায় এক্স-এ পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা বলেন, “আইকনিক মুগা অসমের গর্ব, কিন্তু এর প্রায় ৪০ শতাংশ গুটি নষ্ট হয়ে যায়।”

তিনি আরও জানান, মিশন সেনেহজোরি তৈরি করা হয়েছে যাতে মুগা সিল্কের গুটি “বর্জ্য ও অকেজো” হয়ে না যায়। পরিকাঠামোয় বিনিয়োগের মাধ্যমে এই মিশন সিল্কের বর্জ্যকে দক্ষতার সঙ্গে উচ্চমূল্যের স্পান সুতোয় পরিণত করবে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, অসমের সিল্ক শিল্পের সঙ্গে রাজ্যের প্রায় ৭ লক্ষ পরিবার জড়িত। প্রায় ১০ হাজার ৫০০ গ্রামে প্রায় ২.৬ লক্ষ পরিবার সরাসরি এই শিল্প থেকে রোজগার করেন। এটি রাজ্যের অন্যতম শ্রমঘন শিল্প। এই ক্ষেত্রের কর্মীদের মধ্যে ৭০ শতাংশের বেশি নারী।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মিশন সেনেহজোরি চালু হলে একদিকে যেমন মুগা চাষীদের আয় বাড়বে, অন্যদিকে মহিলাদের জন্য নতুন কাজের সুযোগও তৈরি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *