,

শিক্ষায় ‘নতুন পথে’ হাঁটার ডাক বিজেপি সরকারের, জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হতেই পিএমশ্রী স্কুল গড়ার তোড়জোড়

বিকাশভবনে শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে বৈঠকে বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত ও শংকর ঘোষ, সকলের মতামত নিয়ে নীতি নির্ধারণের আশ্বাস বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন, কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের এক সপ্তাহের মধ্যেই শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল বিজেপি সরকার। সোমবার বিকাশভবনে শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাসবিহারীর বিধায়ক তথা শিক্ষাবিদ স্বপন দাশগুপ্ত এবং শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। বৈঠকে শিক্ষার আধুনিকীকরণের…

বিকাশভবনে শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে বৈঠকে বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত ও শংকর ঘোষ, সকলের মতামত নিয়ে নীতি নির্ধারণের আশ্বাস

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন, কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের এক সপ্তাহের মধ্যেই শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল বিজেপি সরকার। সোমবার বিকাশভবনে শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাসবিহারীর বিধায়ক তথা শিক্ষাবিদ স্বপন দাশগুপ্ত এবং শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। বৈঠকে শিক্ষার আধুনিকীকরণের স্বার্থে শিক্ষক, ছাত্র সহ শিক্ষাক্ষেত্রে যুক্ত সকলের সহযোগিতার আর্জি জানান তাঁরা।

সকলকে নিয়ে নতুন পথে’
বৈঠক শেষে বিধায়ক শংকর ঘোষ বলেন, “শিক্ষাক্ষেত্রে আজকের পরিস্থিতি থেকে নতুন পথে এগোনোর জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে যুক্ত প্রত্যেকের সহযোগিতা কামনা করে রাজ্যের নতুন সরকার। শিক্ষক, ছাত্র সকলের কাছে আমাদের যে দায়বদ্ধতা তা নিশ্চিতভাবে পূরণ করব। সকলের সহযোগিতা এবং মতামত গ্রহণ করেই আগামী দিনে শিক্ষাক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ করা হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “শিক্ষার উন্নতির লক্ষ্যে আমরা কাজ করব। পুরনো জট ছাড়িয়ে শিক্ষাকে সময়োপযোগী করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

ঘুরে গেল ‘খেলা’, চালু জাতীয় শিক্ষানীতি
উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েন চলেছিল। কেন্দ্রের নীতির বদলে রাজ্য সরকার বিকল্প রাজ্য শিক্ষানীতি তৈরি করেছিল। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে জনতার রায়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এর ফলে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করতে আর কোনও বাধা থাকল না।

সূত্রের খবর, ক্ষমতায় আসার এক সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করেছে নতুন সরকার। দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলাই এই নীতির মূল লক্ষ্য।

এবার লক্ষ্য পিএমশ্রী স্কুল
শুধু জাতীয় শিক্ষানীতি নয়, রাজ্যে পিএমশ্রী বিদ্যালয় গড়ে তোলার কাজও শুরু হতে চলেছে। শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি স্কুলকে পিএমশ্রী প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সাহায্যে এই স্কুলগুলিকে মডেল স্কুল হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, জাতীয় শিক্ষানীতি ও পিএমশ্রী প্রকল্প চালু হলে রাজ্যের ধুঁকতে থাকা শিক্ষাব্যবস্থা নতুন করে চাঙ্গা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে পঠনপাঠনের মান— সব ক্ষেত্রেই আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদী শিক্ষা মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *