,

২১ মে শুরু ষষ্ঠদশ বিধানসভার প্রথম অধিবেশন, প্রস্তুত বিধানসভা

প্রোটেম স্পিকার চন্দ্রমোহন পাটোয়ারি, অধ্যক্ষ পদে এনডিএ প্রার্থী রঞ্জিত দাস নিজস্ব সংবাদদাতা, গুয়াহাটি: আগামী ২১ মে থেকে শুরু হচ্ছে ষষ্ঠদশ বিধানসভার প্রথম অধিবেশন। নবনির্বাচিত বিধায়কদের স্বাগত জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত বিধানসভা সচিবালয়। রঙের প্রলেপে সেজে উঠেছে বিধানসভা চত্বর। ফুল দিয়ে সাজানো হচ্ছে পুরো এলাকা। অধিবেশন কক্ষ ঝাড়ামোছা করে ঝাঁ চকচকে করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন বিধায়কদের পরিচয়পত্র…

প্রোটেম স্পিকার চন্দ্রমোহন পাটোয়ারি, অধ্যক্ষ পদে এনডিএ প্রার্থী রঞ্জিত দাস

নিজস্ব সংবাদদাতা, গুয়াহাটি: আগামী ২১ মে থেকে শুরু হচ্ছে ষষ্ঠদশ বিধানসভার প্রথম অধিবেশন। নবনির্বাচিত বিধায়কদের স্বাগত জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত বিধানসভা সচিবালয়। রঙের প্রলেপে সেজে উঠেছে বিধানসভা চত্বর। ফুল দিয়ে সাজানো হচ্ছে পুরো এলাকা। অধিবেশন কক্ষ ঝাড়ামোছা করে ঝাঁ চকচকে করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন বিধায়কদের পরিচয়পত্র দেওয়ার কাজও চলছে দ্রুতগতিতে, যাতে বিধানসভায় প্রবেশে কোনও অসুবিধা না হয়। বিধানসভার প্রথম অধিবেশনের জন্য প্রোটেম স্পিকার ইতিমধ্যেই শপথ নিয়েছেন। ষষ্ঠদশ বিধানসভার সবচেয়ে সিনিয়র সদস্য চন্দ্রমোহন পাটোয়ারিকে দেওয়া হয়েছে প্রোটেম স্পিকারের দায়িত্ব। রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন। অধিবেশনের প্রথম দিন নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রোটেম স্পিকার।

শপথের ক্রম
বিধানসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, অধিবেশনের প্রথম দিনই হবে নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথ। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী, তারপর একে একে মন্ত্রীরা শপথ নেবেন। এরপর প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের শপথ হবে। সেই পর্ব শেষে সিনিওরিটির ভিত্তিতে শপথ নেবেন বাকি বিধায়করা। কে কত বার জয়ী হয়েছেন, তার ভিত্তিতে সিনিওরিটির তালিকা ঠিক করেছে সচিবালয়। তবে সিনিয়র বিধায়কদেরও নামের আদ্যাক্ষর অনুযায়ী ডাকা হবে।

অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ
প্রথম দিন শপথের পরই হবে অধ্যক্ষ নির্বাচন। অধ্যক্ষ পদের জন্য এনডিএ-র প্রার্থী রঞ্জিত দাস। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই তাঁর নাম ঘোষণা করেছেন। বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে এনডিএ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। ফলে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বিধানসভার স্থায়ী অধ্যক্ষ হতে চলেছেন রঞ্জিত দাস। তবে উপাধ্যক্ষ পদে এনডিএ কাকে প্রার্থী করছে, তা এখনও জানা যায়নি। সূত্রের খবর, বরাকের কোনও বাংলাভাষী বিধায়ক কিংবা বড়োল্যান্ডের কোনও বিধায়ককে ওই পদে বসানো হতে পারে।

রাজ্যপালের ভাষণ ও ইউসিসি বিল
অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন ভাষণ দেবেন রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য। এরপর রাজ্যপালের ভাষণের ওপর শাসক-বিরোধীর বিতর্ক হবে। বিতর্কের জবাব দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। চার দিনের এই অধিবেশনে নতুন বিল আসার সম্ভাবনাও রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউসিসি বিল সরকার বিধানসভায় পেশ করবে। শেষ দিনে পেশ করা হতে পারে এই বিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *