,

বন্যার পর শিবসাগরে দ্রুত ফিরছে বিদ্যুৎ, ২৪ ঘণ্টায় কমেছে ৫৮ শতাংশ গ্রাহকের ভোগান্তি

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : টানা বন্যায় বিপর্যস্ত শিবসাগর জেলায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে গত একদিনেই জেলায় বিদ্যুৎহীন মানুষের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকের বেশি কমে গেছে। সোমবার সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় আমাদের দল নিরাপদে আরও অনেক ট্রান্সফরমার চালু করেছে। এর…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : টানা বন্যায় বিপর্যস্ত শিবসাগর জেলায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে গত একদিনেই জেলায় বিদ্যুৎহীন মানুষের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকের বেশি কমে গেছে।

সোমবার সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় আমাদের দল নিরাপদে আরও অনেক ট্রান্সফরমার চালু করেছে। এর জেরে শিবসাগরে বিদ্যুৎ না থাকা গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৫৮ শতাংশ কমেছে। আমরা পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।”

বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও জেলায় ২ হাজার ২৭৪ জন গ্রাহক অন্ধকারে রয়েছেন। তবে জেলার সবকটি প্রধান সঞ্চালন লাইন এবং উপকেন্দ্র এখন পুরোপুরি চালু। ১১ কেভি লাইনেও বড় কোনও সমস্যা নেই। শুধু বিকল্প ব্যবস্থার কারণে একটি লাইন আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সমস্যা রয়েছে বন্যা কবলিত নিচু এলাকায়। সেখানে এখনও ৬১টি ছোট ট্রান্সফরমার বসানো বাকি। যার কারণে কয়েকটি পাড়ায় বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা:
সেসা-ডি২ এলাকায় ৯২০ জন, গৌরীসাগরে ৭৯৯ জন, শিবসাগর শহরের ১ নম্বর অংশে ৩৭৫ জন এবং নাজিরায় ১৮০ জন গ্রাহক এখনও বিদ্যুৎ পাননি। স্বস্তির খবর হল আমগুড়ি ও ডেমো মহকুমায় বিদ্যুৎ পরিষেবা পুরোপুরি ফিরে এসেছে।

সম্প্রতি উপর অসমে বন্যার জেরে বিদ্যুতের খুঁটি, তার ও ট্রান্সফরমারের ব্যাপক ক্ষতি হয়। হাজার হাজার বাড়ি অন্ধকারে ডুবে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি দলগুলো দিন-রাত কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। বাকি এলাকাগুলিতেও খুব দ্রুত আলো ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছে দফতর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *