,

সংসদ অভিযান ঘিরে উত্তাপ, শুক্রবার দেশজুড়ে ছাত্র ধর্মঘট ডাকল এসএফআই

নিট দুর্নীতির প্রতিবাদে লাগাতার কর্মসূচি, ২৪ তারিখ ‘রাত জাগো, দেশ জাগো’র ডাক বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযান এবং সেই কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জাতীয় রাজনীতি যখন সরগরম, তখন প্রতিবাদে সরব হল সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই। শিক্ষায় দুর্নীতি ও নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার দেশ জুড়ে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলিকেও এই…

নিট দুর্নীতির প্রতিবাদে লাগাতার কর্মসূচি, ২৪ তারিখ ‘রাত জাগো, দেশ জাগো’র ডাক

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযান এবং সেই কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জাতীয় রাজনীতি যখন সরগরম, তখন প্রতিবাদে সরব হল সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই। শিক্ষায় দুর্নীতি ও নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার দেশ জুড়ে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলিকেও এই ধর্মঘটে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বুধবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে লাগাতার আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করেন এসএফআই-এর নেতা সৃজন ভট্টাচার্য ও ঐশী ঘোষ। তাদের ঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার কলকাতায় সমস্ত বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকে শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল হবে। ২০২৪ সালের ১৪ অগস্ট আরজি কর কাণ্ডের সময় ‘রাতদখল’-এর আদলেই ২৪ জুলাই সারা দেশে ‘রাত জাগো, দেশ জাগো’ নামে রাত জাগরণের কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপর ২৫ ও ২৬ জুলাই ‘গাঁধীগিরি’ পদ্ধতিতে আন্দোলনের পরিকল্পনা রয়েছে। আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর পুলিশি লাঠিচার্জের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে পুলিশকে প্রতীকী ‘মেলোডি চকোলেট’ উপহার দেওয়ার কর্মসূচিও থাকবে।

পুলিশি লাঠিচার্জের প্রতিবাদে ‘মেলোডি চকোলেট’ কর্মসূচি
হাইকোর্টে তলব কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশকে, ৪ সপ্তাহে জবাবের নির্দেশ

শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে গত ২০ জুলাই সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি। দীর্ঘদিন ধরেই দিল্লির যন্তর মন্তরে তাদের অবস্থান-বিক্ষোভ চলছে। এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক।

অভিযোগ, সিজেপি-র ওই মিছিলে কয়েক হাজার মানুষ সামিল হয়েছিলেন, যাদের বড় অংশই ছিলেন ছাত্র। সেই বিক্ষোভ কঠোর হাতে দমনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দিল্লি হাই কোর্ট সংসদ অভিযানে পুলিশের ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’-এর বিষয়ে কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। আদালত চার সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে হলফনামা দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের সব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ, ভিডিয়োগ্রাফি এবং অন্যান্য রেকর্ড সংরক্ষণের নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *