,

সকল কর্মীকে সজাগ থাকার পরামর্শ রাজ্য সভাপতি দিলীপ শইকীয়ার

বানপীড়িতদের সময়মতো সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে বিজেপি কর্মীরা: রাজ্য বিজেপি বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : যোরহাট, শিবসাগর, চরাইদেউ-সহ রাজ্যের বানপীড়িত জেলাগুলিতে সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বান প্রতিরোধের ব্যবস্থা তদারকি করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সাহায্য সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে। একইসঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীরাও প্রশাসনের সহযোগী হিসেবে বানপীড়িতদের সময়মতো সাহায্য-সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার…

বানপীড়িতদের সময়মতো সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে বিজেপি কর্মীরা: রাজ্য বিজেপি

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি : যোরহাট, শিবসাগর, চরাইদেউ-সহ রাজ্যের বানপীড়িত জেলাগুলিতে সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বান প্রতিরোধের ব্যবস্থা তদারকি করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সাহায্য সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে। একইসঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীরাও প্রশাসনের সহযোগী হিসেবে বানপীড়িতদের সময়মতো সাহায্য-সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন বলে জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র রণজীব কুমার শর্মা।

রণজীব কুমার শর্মা বলেন, জাঁজী, দিখৌ, দিচাং, ভোগদৈ প্রভৃতি নদীর দুই পাড়ের স্পর্শকাতর বাঁধগুলিতে লাগাতার নজরদারি চালানোর পাশাপাশি দিন-রাত বালিভর্তি বস্তা বসানো, পাইপিং নিয়ন্ত্রণ এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধ শক্তিশালী করার কাজও প্রশাসন চালিয়ে যাচ্ছে। এই কাজে দলীয় কর্মীরা স্বেচ্ছায় সেবা দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন। অটল বিহারী বাজপেয়ী ভবন থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমাতে প্রশাসনের নেওয়া ব্যাপক তৎপরতাকে ভারতীয় জনতা পার্টি, অসম প্রদেশ স্বাগত জানাচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা বান পরিস্থিতি লাগাতার পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে উদ্ধার অভিযান সক্রিয় রেখেছেন। বানপীড়িত মানুষকে সময়মতো সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনওরকম গাফিলতি না করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করেছেন। জল সম্পদ দপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর, জেলা প্রশাসন, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, অসম পুলিশ, দমকল বাহিনী, বায়ুসেনার হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থা তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ চালাচ্ছে। বানের এই কঠিন সময়ে জনসাধারণের জীবন, জীবিকা ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

তাই মুখ্যমন্ত্রী ১৯ জুলাই রাতেই রাজ্যের চারজন মন্ত্রী যথাক্রমে অজন্তা নেওগ, বিমল বড়া, সুশান্ত বরগোহাঁই ও কেশব মহন্তকে বানপীড়িত জেলাগুলিতে পাঠিয়ে ত্রাণ অভিযান তদারকির নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই মন্ত্রীরা রাতের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত জেলায় পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণের ব্যবস্থা তদারকি করছেন। সরকারের এই তৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ আশ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের নেওয়া তৎপরতাকে ভারতীয় জনতা পার্টি, অসম প্রদেশ স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ভূয়সী প্রশংসা করেছে বলে রণজীব কুমার শর্মা উল্লেখ করেন।

একইভাবে দলের রাজ্য সভাপতি সাংসদ *দিলীপ শইকীয়া*র পরামর্শে বানাক্রান্ত তিনটি জেলার জেলা সভাপতি ও জেলা প্রভারীর নেতৃত্বে দলীয় কর্মীরা বান ত্রাণ বিতরণ এবং বানাক্রান্তদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে ব্যস্ত থাকা সাংসদ শইকীয়া নতুন দিল্লি থেকেই বানাক্রান্ত অঞ্চলে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে উদ্ধার কাজ ও ত্রাণ বিতরণের খোঁজ নিচ্ছেন।

শিবসাগর জেলার নাজিরা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চন্তক, গড়মূর প্রভৃতি এলাকায় জেলা প্রভারী লক্ষ্য কোঁয়র ও জেলা সভাপতি বিতোপন রাইদঙিয়ার নেতৃত্বে ভারতীয় যুব মোর্চার শতাধিক কর্মী দিন-রাত পালা করে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সাহায্য বিতরণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের সহযোগী হয়েছেন। ঠিক একইভাবে চরাইদেউ ও যোরহাট জেলার শতাধিক কর্মীও পালা করে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন।

রাজ্য সভাপতি দিলীপ শইকীয়া সকল কর্মীকে এই দুর্যোগের সময় সজাগ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বলেও রণজীব কুমার শর্মা বিবৃতিতে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *