,

গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও জীবিকা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভার উপ-কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। দিসপুর: ১৬তম অসম বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের বিরতিতে আজ অপরাহ্নে দিসপুরের অসম বিধানসভা ভবনের সভাকক্ষে মন্ত্রিসভার উপ-কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ‘বিকশিত ভারত – গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও জীবিকা নিশ্চয়তা মিশন’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অতুল বরা, রণোজ পেগু, কেশব মহন্ত, জয়ন্ত মল্লবড়ুয়া,…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। দিসপুর: ১৬তম অসম বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের বিরতিতে আজ অপরাহ্নে দিসপুরের অসম বিধানসভা ভবনের সভাকক্ষে মন্ত্রিসভার উপ-কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ‘বিকশিত ভারত – গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও জীবিকা নিশ্চয়তা মিশন’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অতুল বরা, রণোজ পেগু, কেশব মহন্ত, জয়ন্ত মল্লবড়ুয়া, বিমল বড়া এবং নীলিমা দেবী। এছাড়াও গ্রামোন্নয়ন, কৃষি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পঞ্চায়েত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে আলোচনা হয় কিভাবে গ্রামীণ এলাকায় স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা যায়। গ্রামের যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা, স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া এবং কৃষি ও কুটিরশিল্পের সঙ্গে জীবিকা যুক্ত করার বিষয়গুলি নিয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

মন্ত্রীরা বলেন, এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রামের প্রতিটি পরিবারের জন্য নিশ্চিত আয়ের পথ তৈরি করা। এর ফলে গ্রাম থেকে শহরে কাজের জন্য মানুষের যাতায়াত কমবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। জেলাভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্প রূপায়ণের পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।

আধিকারিকদের প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতি মাসে পর্যালোচনা করার এবং মাঠ পর্যায়ে কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকেও এই কাজে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রামীণ এলাকার দারিদ্র দূরীকরণ এবং স্বাবলম্বী গ্রাম গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এই মিশন সেই লক্ষ্য পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *