“বরাকের শিল্পীরা দেশ-বিদেশের চেয়ে পিছিয়ে নেই, পিছিয়ে আছে সুযোগে”: সংস্কৃতি বাঁচাতে ৪ দফা প্রস্তাব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন : “দেশ গড়ার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে সংস্কৃতি চর্চা”— এই বার্তা সামনে রেখে বরাক উপত্যকার শিল্পচর্চার পরিকাঠামো গড়তে ৪ দফা লিখিত প্রস্তাব নিয়ে আসামের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মার কাছে যাবেন কাছাড় ও ডিমা হাসাও জেলার গার্জিয়ান মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল। রবিবার কাছাড় ক্লাবে বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগের মতবিনিময় সভায় বরাককণ্ঠ এবং শিলচর ইয়ুথ কয়্যারের পক্ষ থেকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ চন্দ এই প্রস্তাব মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
৪ দফা প্রস্তাবে যা আছে:
১. শিলচরের গান্ধীভবনের দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকীকরণ
২. বরাক উপত্যকায় সরকারি মিউজিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপন
৩. শিলচরে সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমির আঞ্চলিক কেন্দ্র খোলা
৪. বরাকের শিল্পীদের সরকারি অনুদানের আওতায় এনে এনপ্যানেল্ড শিল্পী হিসেবে জাতীয় মঞ্চে সুযোগ
প্রস্তাব পেশ করে সন্তোষ চন্দ বলেন, “দেশ-বিদেশ থেকে বরাক উপত্যকা মোটেও পিছিয়ে নেই। সুযোগের অভাবে শিল্পীরা দেশ-বিদেশের মঞ্চে অনুষ্ঠান করতে পারছে না। সরকার এই ব্যাপারে সহযোগিতা না করলে বরাক উপত্যকার সংস্কৃতির প্রচার-প্রসার হবে না। সংস্কৃতি বাঁচাতে সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। পরিকাঠামোর অভাবে বরাকের বহু প্রতিভা জাতীয় স্তরে পৌঁছাতে পারছে না।”

প্রস্তাব গ্রহণ করে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল আশ্বাস দেন, “এই দাবিগুলি যুক্তিসঙ্গত ও সময়োপযোগী। আমি নিজে মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মার কাছে এই লিখিত প্রস্তাব পৌঁছে দেব এবং দ্রুত পদক্ষেপের অনুরোধ করব।”
মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী কৌশিক রাই, সাংসদ পরিমল শুক্লবৈদ্য, বিধায়ক রাজদীপ রায়, রাজদীপ গোয়ালা, কিশোর নাথ, কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ, আমিনুল হক লস্কর, অমিয় কান্তি দাস ও অতিরিক্ত সচিব আদিত্য বিক্রম যাদব। সভায় কাছাড়ের উন্নয়ন ও জনসমস্যা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।













