,

সাংসদ কমায় উদ্ধবপন্থী শিবসেনার সংকট বাড়ছে, সংসদে দলীয় অফিস ঘর হারাতে পারে

৬ সাংসদ একনাথ সিন্ধের সঙ্গে যাওয়ায় উদ্ধবের দলে এখন মাত্র ৩ জন বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি : উদ্ধবপন্থী শিবসেনার সংসদীয় শক্তি আরও দুর্বল হল। দলের ছয়জন বিক্ষুব্ধ সাংসদ ইতিমধ্যেই একনাথ সিন্ধে পরিচালিত শিবসেনায় যোগ দিয়েছেন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের একনাথপন্থী শিবসেনার সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। এর ফলে উদ্ধব থ্যাকারের শিবিরে বর্তমানে সাংসদ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে…

৬ সাংসদ একনাথ সিন্ধের সঙ্গে যাওয়ায় উদ্ধবের দলে এখন মাত্র ৩ জন
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি : উদ্ধবপন্থী শিবসেনার সংসদীয় শক্তি আরও দুর্বল হল। দলের ছয়জন বিক্ষুব্ধ সাংসদ ইতিমধ্যেই একনাথ সিন্ধে পরিচালিত শিবসেনায় যোগ দিয়েছেন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের একনাথপন্থী শিবসেনার সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। এর ফলে উদ্ধব থ্যাকারের শিবিরে বর্তমানে সাংসদ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র তিন।সাংসদ সংখ্যা পাঁচের নিচে নেমে যাওয়ায় সংসদ ভবন চত্বরে দলীয় অফিসের জন্য বরাদ্দ কক্ষটি খোয়ানোর মুখে উদ্ধবপন্থীরা।সংসদে দলীয় অফিস বরাদ্দের ক্ষেত্রে লিখিত কোনো কড়া নিয়ম না থাকলেও সাধারণত পাঁচ বা তার বেশি সাংসদ থাকা দলগুলিকেই কক্ষ দেওয়া হয়। একই কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বদলীয় বৈঠকের আমন্ত্রণও হাতছাড়া হতে পারে উদ্ধবের দলের। সর্বদলীয় বৈঠকে সাধারণত পাঁচের বেশি সাংসদ থাকা দলগুলিকেই ডাকা হয়। প্রসঙ্গত, প্রায় তিন দশক ধরে পুরনো সংসদ ভবন অর্থাৎ সংবিধান ভবনের ১২৮ নম্বর ঘরটি শিবসেনার দলীয় দফতর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। দল ভাঙনের পর ২০২৩ সালে ঘরটি একনাথ সিন্ধের শিবসেনাকে বরাদ্দ করা হয়।উদ্ধবপন্থীরা পান পাশের ১২৮এ নম্বর ঘর। এখন এই ঘর রাখা না রাখার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি নির্ভর করছে লোকসভার স্পিকার ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের বিবেচনার উপর। নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায় তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মনে করছেন সংসদ বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *