,

জবলপুরে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের রাজ্যস্তরীয় অনুষ্ঠান, যোগে অংশ নিলেন রাষ্ট্রপতি, রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদন: ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে মধ্যপ্রদেশের রাজ্যস্তরীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হল জবলপুরের গ্যারিসন ময়দান-এ। অনুষ্ঠানে যোগদান করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, রাজ্যের রাজ্যপাল মঙ্গুভাই প্যাটেল ও মুখ্যমন্ত্রী ড.মোহন যাদব। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক জনপ্রতিনিধি, আধিকারিক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, যোগ ভারতের মহান ঐতিহ্যের উদযাপন। যোগ মানবজাতিকে সুস্থ, সুষম ও…

বিশেষ প্রতিবেদন: ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে মধ্যপ্রদেশের রাজ্যস্তরীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হল জবলপুরের গ্যারিসন ময়দান-এ। অনুষ্ঠানে যোগদান করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, রাজ্যের রাজ্যপাল মঙ্গুভাই প্যাটেল ও মুখ্যমন্ত্রী ড.মোহন যাদব। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক জনপ্রতিনিধি, আধিকারিক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, যোগ ভারতের মহান ঐতিহ্যের উদযাপন। যোগ মানবজাতিকে সুস্থ, সুষম ও অর্থপূর্ণ জীবনের পথ দেখিয়েছে। যোগ ভারতের ঋষি-মুনিদের হাজার বছরের সাধনার ফল। এটি এমন এক শক্তিশালী মাধ্যম যা মানুষকে নিজের সঙ্গে, সমাজকে প্রকৃতির সঙ্গে এবং মানবজাতিকে বিশ্বচেতনার সঙ্গে যুক্ত করে। রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০১৪ সালে ভারতের অনুরোধে জাতিসংঘের সাধারণ সভা ২১জুন-কে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। গত ১২ বছরে এই উদ্যোগ যোগকে বিশ্বকল্যাণের শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে আরও মজবুত করেছে। তিনি আহমেদাবাদে আয়োজিত প্রথম বিশ্ব যোগাসন প্রতিযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে বহু দেশের অংশগ্রহণকারী যোগ দেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বছরের মূল ভাবনা “সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ” প্রবীণ নাগরিকদের সুস্থ, স্বনির্ভর ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জন্য যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। যোগ মানসিক শান্তি ও আবেগের ভারসাম্য দেয়। সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে জীবনধারা-জনিত রোগ প্রতিরোধে যোগ বড় ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, ভারত সরকার যোগশিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতার ক্ষেত্রে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি সব নাগরিককে যোগকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করার আহ্বান জানান। এতে সুস্থ মানুষ, সুস্থ পরিবার, সুস্থ সমাজ, সুস্থ দেশ ও সুস্থ বিশ্ব গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানের পর রাষ্ট্রপতি ১১-৩০ মিনিটে রানি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয়-এ যাবেন। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছত্রিশতম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল মঙ্গুভাই প্যাটেলও উপস্থিত থাকবেন। ২২শে জুন রাষ্ট্রপতি কুনো জাতীয় উদ্যান পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে তিনি সহরিয়া উপজাতির মানুষ, চিতাবাঘ-অনুসন্ধানী ও উদ্যানের মাঠকর্মীদের সঙ্গে দেখা করবেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *