বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন: দলের রফাসূত্র মেনে গত ২৮ মে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া। আজ বুধবার বিকেল ৪টে বেজে ১০ মিনিট নাগাদ বেঙ্গালুর লোকভবনের গ্লাস হাউসে ডি কে শিবকুমার রাজ্যের ২৫ তম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন। শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট।
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন কনকপুরার বিধায়ক ডি কে শিবকুমার সহ রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন দলিত নেতা জি পরমেশ্বর। টুমকুর জেলার ননভিনকর গঙ্গাধর অজ্ঝয়া ভোক্কালিগা মঠের সাধকের নাম স্মরণ করে শপথ নেন ডি কে শিবকুমার।
কনকপুরা আসন থেকে টানা আটবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ডি কে শিবকুমার। ২০২০ সালে তিনি কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পান। ২০২৩ সালের রাজ্য বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসকে বড় জয় এনে দিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন তিনি। গত ৩০ মে বিধানসভা দলীয় ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ডি কে শিবকুমারকে কর্নাটক কংগ্রেসের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে। মুখ্যমন্ত্রী ও দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আজ মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন আরও ১২ জন। নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন কেএইচ মুনিয়াপ্পা, কেজে জর্জ, যতীন্দ্র সিদ্দারামাইয়া, প্রিয়ঙ্ক খড়্গে, এমবি পাতিল, সতীশ জারকিহোলি, কৃষ্ণ বাইরে গৌড়া, রামলিঙ্গ রেড্ডি, ইউটি খাদের, ঈশ্বর খন্দ্রে, বাইরাথি সুরেশ ও ডক্টর শরণ প্রকাশ পাতিল।
সিদ্দারামাইয়া জানিয়ে দেন, জাতীয় রাজনীতির দিকে তাঁর ঝোঁক নেই। রাজ্যের উন্নয়নই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিনিময়ে হাইকমান্ড তাঁকে রাজ্যসভা বা প্রদেশ সভাপতি পদ বেছে নিতে বললেও তিনি তা নেননি। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যত কী হতে চলেছে সেটাই দেখার বিষয়।












