,

দুর্লভছড়া মডেল হাসপাতালের নামকরণ বদলের দাবি অংশুমানের

নিজস্ব প্রতিবেদন: দুর্লভছড়া মডেল হাসপাতালের জমি দান করেছিলেন দুর্লভছড়া হাসপাতাল রোডের প্রয়াত শিক্ষাবিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামী অশ্বিনী কুমার পাল এবং দুর্লভছড়া স্টেশন রোডের প্রয়াত অনিল কুমার সেন। অশ্বিনী কুমার পাল হলেন জিডিপিসিএফ সভাপতি অংশুমান পালের দাদু। ৩১ মে, রবিবার ‘বৃহত্তর দুর্লভছড়া প্রগতিশীল মঞ্চ তথা জিডিপিসিএফ’-এর সভাপতি অংশুমান পাল রামকৃষ্ণনগর সমষ্টির বিধায়ক বিজয় মালাকারের রামকৃষ্ণনগরের বাসভবনে…

নিজস্ব প্রতিবেদন: দুর্লভছড়া মডেল হাসপাতালের জমি দান করেছিলেন দুর্লভছড়া হাসপাতাল রোডের প্রয়াত শিক্ষাবিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামী অশ্বিনী কুমার পাল এবং দুর্লভছড়া স্টেশন রোডের প্রয়াত অনিল কুমার সেন। অশ্বিনী কুমার পাল হলেন জিডিপিসিএফ সভাপতি অংশুমান পালের দাদু।

৩১ মে, রবিবার ‘বৃহত্তর দুর্লভছড়া প্রগতিশীল মঞ্চ তথা জিডিপিসিএফ’-এর সভাপতি অংশুমান পাল রামকৃষ্ণনগর সমষ্টির বিধায়ক বিজয় মালাকারের রামকৃষ্ণনগরের বাসভবনে দেখা করে দুর্লভছড়া মডেল হাসপাতালের নামকরণ নবীকরণের দাবি জানান। তাঁর দাবি, হাসপাতালটির নাম ‘প্রয়াত অশ্বিনী কুমার পাল ও অনিল কুমার সেন মেমোরিয়াল মডেল হাসপাতাল’ রাখা হোক।

অংশুমান পাল বলেন, করিমগঞ্জ জেলার নামকরণ যদি শ্রীভূমি হতে পারে, ধুবরির প্রয়াত ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাম যদি বদলাতে পারে, রেল শহর বদরপুরের নাম ভবিষ্যতে সিদ্ধেশ্বর ধাম হতে পারে—তাহলে রামকৃষ্ণনগর সমষ্টির জনপ্রিয় ও কাজের মানুষ বিধায়ক বিজয় মালাকারের কাছে এটা কোনো ব্যাপারই নয়।

ওইদিন অংশুমান পাল তৃতীয়বারের জন্য নির্বাচিত বিধায়ক বিজয় মালাকারকে মাল্যদান করে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাস্তা ও এলাকার উন্নয়নের দাবি
অংশুমান পাল জানান, তাঁদের পরিবারের দান করা জমির ওপর দিয়ে আনিপুর-দুর্লভছড়া-নিভিয়া পূর্ত সড়ক থেকে ভেটারবন্দ গাঁও পঞ্চায়েতের তিন নম্বর ওয়ার্ডের ভেটারবন্দ বস্তি গ্রামের সঙ্গে সংযোগকারী একটি রাস্তা হবে। পূর্ত বিভাগ থেকে টেন্ডার হয়ে ওয়ার্ক অর্ডারও জারি হয়েছে। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচন ও নির্বাচনী আচরণবিধি থাকায় বিগত শুকনো মরশুমে কাজ শুরু করা যায়নি। এখন বিধায়ক বিজয় মালাকার ও পূর্ত বিভাগ চাইলে যে কোনো সময় কাজ শুরু করতে পারেন।

তিনি বিধায়কের কাছে আর্জি রাখেন, এই মুহূর্তে রাস্তার কাজ শুরু না করে আগামী শুকনো মরশুমে শুরু করা হোক। এতে কাজ দ্রুত শেষ হবে এবং পাশের ধানখেতেরও ক্ষতি হবে না। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি বিধায়ক বিজয় মালাকারের ওপরেই ছেড়ে দেন।

এছাড়া অংশুমান পাল বিধায়কের কাছে বৃহত্তর দুর্লভছড়ার জন্য আরও কিছু দাবি তোলেন—
১. একটি পুলিশ আউট পোস্ট
২. একটি অগ্নিনির্বাপক কেন্দ্র
৩. একটি সাব-রেজিস্ট্রার অফিস
৪. একটি ডিগ্রি কলেজ
৫. একটি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়
৬. দুর্লভছড়াকে শহর তথা পৌরসভায় উন্নীত করা

ডিলিমিটেশন ও খাস জমি প্রসঙ্গ
আগামী দিনে রামকৃষ্ণনগর বিধানসভা সমষ্টির ডিলিমিটেশন হলে সিংলা নদীর পূর্বপার ও পশ্চিম পারকে দুটি আলাদা সমষ্টি হিসেবে নামকরণ করে পূর্বপারটিকে ‘রামকৃষ্ণনগর-দুর্লভছড়া সমষ্টি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিও জানান তিনি।

বৃহত্তর দুর্লভছড়ার উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণের প্রয়োজনে বৃহত্তর দুর্লভছড়ার খাস জায়গা দখলমুক্ত করার আবেদনও রাখেন অংশুমান পাল।

বিধায়ক বিজয় মালাকার মন দিয়ে সব কথা শোনেন এবং আগামী দিনে বৃহত্তর দুর্লভছড়ার জনগণের উন্নতিকল্পে সর্বতোভাবে প্রচেষ্টা চালাবেন বলে অংশুমান পালকে আশ্বাস দেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *