,

পিএনজি এলে এলপিজি ছাড়তেই হবে

এক ঠিকানায় দুই গ্যাস সংযোগ মানবে না বিধি নয়াদিল্লি। ৩০ মে: বাড়িতে পাইপ দিয়ে পিএনজি সংযোগ এলে পুরনো এলপিজি সিলিন্ডার রাখা যাবে না। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের পুরনো বিধি অনুযায়ী, একই ঠিকানায় পিএনজি ও এলপিজি দুটো ঘরোয়া গ্যাস সংযোগ রাখার অনুমতি নেই। পিএনজি চালু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এলপিজি সংযোগ জমা দিতে হয়। শহর ও শহরতলিতে পাইপ…

এক ঠিকানায় দুই গ্যাস সংযোগ মানবে না বিধি

নয়াদিল্লি। ৩০ মে: বাড়িতে পাইপ দিয়ে পিএনজি সংযোগ এলে পুরনো এলপিজি সিলিন্ডার রাখা যাবে না। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের পুরনো বিধি অনুযায়ী, একই ঠিকানায় পিএনজি ও এলপিজি দুটো ঘরোয়া গ্যাস সংযোগ রাখার অনুমতি নেই। পিএনজি চালু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এলপিজি সংযোগ জমা দিতে হয়।

শহর ও শহরতলিতে পাইপ গ্যাসের নেটওয়ার্ক দ্রুত বাড়ছে। নতুন গ্রাহকও যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু পিএনজি নেওয়ার পরও অনেক পরিবার এলপিজি সিলিন্ডারের বুকিং চালু রাখছে। এই প্রবণতা নজরে আসতেই তেল সংস্থাগুলো কম্পিউটারের তথ্য মিলিয়ে দেখছে। এক ঠিকানায় দুটো সংযোগ ধরা পড়লে প্রথমে নোটিস যাবে। বিধি না মানলে সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ হতে পারে। লক্ষ্য সিলিন্ডারের অপব্যবহার ও কালোবাজারি রোখা।

গ্রাহকদের সুবিধার জন্য নিয়মও আছে। পরে পিএনজি নেই এমন জায়গায় বদলি হলে, কাটা এলপিজি সংযোগ আবার চালু করা যাবে। সেক্ষেত্রে নতুন করে রেজিস্ট্রেশন ও বসানোর খরচ দিতে হবে। নতুন সংযোগ নিলে রেগুলেটর ও পাইপের খরচও গ্রাহকেই বহন করতে হয়।

ভর্তুকির নিয়ম আগের মতোই বহাল থাকছে। প্রতি পরিবার বছরে ১২টা ভর্তুকিযুক্ত সিলিন্ডার পাবে। কোটা পেরোলে বাজার দরে কিনতে হবে। শহরে ২১ দিন ও গ্রামে ৪৫ দিন পর সিলিন্ডার বুক করার লক-ইন পিরিয়ড এখনও চালু আছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *