,

কংগ্রেস ভবনে হামলার মুখে সোনাইয়ের বিধায়ক, প্রাণ বাঁচাতে ছুটে পালান আমিনুল ইসলাম লস্কর

হাইলাকান্দি। ৩০ মে : শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে এসেই তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সোনাই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক আমিনুল ইসলাম লস্কর। শনিবার হাইলাকান্দি জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। শেষ পর্যন্ত দেহরক্ষীদের সহায়তায় প্রাণ বাঁচাতে কার্যালয় ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন তিনি। সম্প্রতি শেষ হওয়া অসম বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করতে আজ…

হাইলাকান্দি। ৩০ মে : শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে এসেই তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সোনাই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক আমিনুল ইসলাম লস্কর। শনিবার হাইলাকান্দি জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। শেষ পর্যন্ত দেহরক্ষীদের সহায়তায় প্রাণ বাঁচাতে কার্যালয় ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন তিনি।

সম্প্রতি শেষ হওয়া অসম বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করতে আজ জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে বৈঠক ডাকা হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক আমিনুল ইসলাম লস্কর। সভা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই হাইলাকান্দি জেলা যুব কংগ্রেসের কর্মীরা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। বিধায়কের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে শুরু করেন তাঁরা।

পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। “আমিনুল ইসলাম লস্কর হায় হায়”, “বিজেপির দালাল মুর্দাবাদ”— এমন স্লোগানে কেঁপে ওঠে কংগ্রেস ভবন। বিক্ষুব্ধ কর্মীরা বিধায়ককে ঘিরে ধরে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি শুরু হয়। ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দিও হয়।

যুব কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, দলের বর্তমান দুর্দশার জন্য দায়ী বিধায়ক নিজেই। তাঁদের দাবি, “রাতে বিজেপি, দিনে কংগ্রেস— এমন দ্বিচারী নেতা আমাদের চাই না। কংগ্রেসকে শেষ করে দিয়েছেন তিনি। তাই আজ কার্যালয় থেকে বের করে দিয়েছি।”

প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে বিধায়ককে ঘেরাও করে রাখেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় শেষমেশ দেহরক্ষীদের সাহায্যে কোনওমতে কার্যালয় থেকে বেরিয়ে প্রাণ নিয়ে পালান আমিনুল ইসলাম লস্কর।

উল্লেখ্য, নির্বাচনে জিতে শপথ নেওয়ার পর এই প্রথম হাইলাকান্দি কংগ্রেস ভবনে পা রাখেন সোনাইয়ের বিধায়ক। স্বাগত তো দূরের কথা, ঢুকতেই তাঁর সঙ্গে শুরু হয় তুমুল সংঘাত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *