,

সংস্কৃতে শপথ নেওয়া দেশের প্রথম মন্ত্রী বিমল বড়া

“সংস্কৃত কেবল ভাষা নয়, এটি ভারতীয় জ্ঞান-সংস্কৃতির বাহক” – মন্ত্রী বিমল বড়া বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: দেবভাষা সংস্কৃতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সংস্কৃত ভাষায় শপথ গ্রহণ করে দেশের রাজ্যগুলির মধ্যে প্রথম মন্ত্রী হিসেবে নজির গড়েছেন অসমের শিল্প, বাণিজ্য ও সরকারি প্রতিষ্ঠান দপ্তরের মন্ত্রী বিমল বড়া। সংস্কৃত ভারতী, উত্তর অসম প্রান্তের উদ্যোগে রবিবার অসম বিধানসভার কেন্দ্রীয় সভাগৃহে আয়োজিত…

“সংস্কৃত কেবল ভাষা নয়, এটি ভারতীয় জ্ঞান-সংস্কৃতির বাহক” – মন্ত্রী বিমল বড়া
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। গুয়াহাটি: দেবভাষা সংস্কৃতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সংস্কৃত ভাষায় শপথ গ্রহণ করে দেশের রাজ্যগুলির মধ্যে প্রথম মন্ত্রী হিসেবে নজির গড়েছেন অসমের শিল্প, বাণিজ্য ও সরকারি প্রতিষ্ঠান দপ্তরের মন্ত্রী বিমল বড়া।

সংস্কৃত ভারতী, উত্তর অসম প্রান্তের উদ্যোগে রবিবার অসম বিধানসভার কেন্দ্রীয় সভাগৃহে আয়োজিত “বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান”-এ অংশ নিয়ে মন্ত্রী বিমল বড়া বলেন, “সংস্কৃত কেবল একটি ভাষাই নয়, এটি ভারতীয় জ্ঞান-সংস্কৃতি, দর্শন এবং চিরন্তন ঐতিহ্যের এক মহামূল্যবান বাহক।” এই মহান ঐতিহ্যকে আরও জনমুখী করে তোলার জন্য কাজ করা সংগঠন সংস্কৃত ভারতীকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

মন্ত্রী বড়া আরও বলেন, সুসংহত ও পরিমার্জিত ভাষাই হল সংস্কৃত। খ্রিস্টপূর্ব দেড় হাজার বছর আগে বিকাশ লাভ করা সংস্কৃত ভাষাতেই আদি গ্রন্থ ঋকবেদ রচিত হয়েছিল। অসমে এবং সমগ্র ভারতবর্ষে বর্তমানে দেবভাষা সংস্কৃতের প্রতি নতুন আগ্রহ, সচেতনতা ও সম্মানের এক ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃত ভাষায় শপথ নেওয়া অসম বিধানসভার ১৭ জন বিধায়কের মধ্যে ১৩ জনকে সংবর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে সংস্কৃত ভারতীর সাংগঠনিক সম্পাদক ভবেন শইকীয়া বলেন, সংস্কৃত ভাষায় শপথ নেওয়া দেশের রাজ্যগুলির মধ্যে বিমল বড়াই প্রথম মন্ত্রী।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অসম বিধানসভার অধ্যক্ষ রণজিৎ কুমার দাস, মন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বরুয়া ও বিশ্বজিৎ দৈমারী, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের উত্তর অসম প্রান্তের কার্যবাহ খগেন শইকীয়া ভাষণ দেন।

সংস্কৃত ভারতী উত্তর অসম প্রান্তের সভানেত্রী ড° সুদেষ্ণা ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংসদ ও ভারতীয় জনতা পার্টি অসম প্রদেশের সভাপতি দিলীপ কুমার শইকীয়া, কুমার ভাস্কর বর্মা সংস্কৃত ও প্রাচ্য অধ্যয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড° প্রহ্লাদ যোশী, সংস্কৃত ভারতীর সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ শর্মা-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *