,

শিলকুড়ি চা বাগানের জমি দখল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ সামাজিক অপশক্তির বিরুদ্ধে যুবসংগঠন

ভূমি-দালদের দখলে প্রায় ১০০০ বিঘা, ৬০-৭০টি স্থায়ী গৃহ নির্মাণ, মুখ্যমন্ত্রীর তদারকি শাখার মাধ্যমে তদন্ত ও উচ্ছেদের দাবি বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। ১৭ জুন: কাছাড় জেলার শিলকুড়ি চা বাগানের জমি বহিরাগতদের দ্বারা জোরপূর্বক দখলের অভিযোগে আজ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দিল ‘সামাজিক অপশক্তির বিরুদ্ধে যুবসংগঠন’-এর কেন্দ্রীয় কমিটি। কাছাড়ের জেলা কমিশনার ডেভিড কুমার বরার মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব…

ভূমি-দালদের দখলে প্রায় ১০০০ বিঘা, ৬০-৭০টি স্থায়ী গৃহ নির্মাণ, মুখ্যমন্ত্রীর তদারকি শাখার মাধ্যমে তদন্ত ও উচ্ছেদের দাবি

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। ১৭ জুন: কাছাড় জেলার শিলকুড়ি চা বাগানের জমি বহিরাগতদের দ্বারা জোরপূর্বক দখলের অভিযোগে আজ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দিল ‘সামাজিক অপশক্তির বিরুদ্ধে যুবসংগঠন’-এর কেন্দ্রীয় কমিটি। কাছাড়ের জেলা কমিশনার ডেভিড কুমার বরার মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে শিলকুড়ি চা বাগানের জমি অবিলম্বে দখলমুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

ভূমি-দালদের দখলে ১০০০ বিঘা জমি
অভিযোগে বলা হয়েছে, কিছু ভূমি-দাল প্রায় ১০০০ বিঘা চা বাগানের জমি নিজেদের দখলে নিয়ে নিয়েছে। ওই জমিতে ইতিমধ্যে ৬০-৭০টি স্থায়ী গৃহ নির্মাণের কাজও শেষ হয়েছে। শুধু শিলকুড়ি নয়, চাকমা টিলা, বাল টিলা, লেথাল টিলা-সহ গোটা শিলকুড়ি চা বাগান এলাকাতেই একই চিত্র।

আইন ও চা বাগান সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনো বহিরাগত ব্যক্তি চা বাগানের জমি কিনতে পারেন না, বিক্রিও করতে পারেন না। এত কড়া নিয়ম থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একদল ভূমি-দাল প্রায় ১০০০ বিঘা জমি দখল করল? কে তাদের অনুমতি দিল, কীভাবে জমি বিক্রি হল – প্রশ্ন তুলেছে যুবসংগঠনটি।

মুখ্যমন্ত্রীর তদারকি শাখার মাধ্যমে তদন্তের দাবি
যুবসংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সঞ্জীব রায় বলেন, গোটা রাজ্যে ভূমি-দালদের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া পদক্ষেপ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। কিন্তু শিলকুড়ি চা বাগানের ক্ষেত্রে সেই কঠোরতা দেখা যাচ্ছে না। কিসের এত অনীহা?

তিনি মুখ্যমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ‘মুখ্যমন্ত্রীর তদারকি শাখা’-র মাধ্যমে শক্তিশালী তদন্তের দাবি জানান। অবিলম্বে শিলকুড়ি চা বাগানের জমি থেকে অবৈধ দখল ও অনুপ্রবেশ উচ্ছেদের কথাও বলেন। সঞ্জীব রায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে চা-শ্রমিকদের ন্যায়বিচারের স্বার্থে যুবসংগঠনটি আদালতের দ্বারস্থ হবে।

নাগরিক সভার ডাক
জেলা কমিশনারের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার সময় প্রতিনিধি দলে ছিলেন অমৃতলাল গোয়ালা, রাজেন্দ্র নুনিয়া, অমৃত তান্তি, শঙ্খু মাল্লাহ, দিলীপ কুমার নুনিয়া, আহাদ বরভুঁইয়া প্রমুখ। খুব শীঘ্রই বৃহত্তর শিলকুড়ি চা বাগান এলাকার বাসিন্দা ও শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে এই বিষয়ে শিলকুড়িতে একটি নাগরিক সভা আয়োজনের কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *