প্রক্রিয়াকরণ, ভ্যালু চেন ও রফতানিতে জোর, দুগ্ধ সমবায় ও টেট্রা প্যাক ইউনিটেও গুরুত্ব
বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি: মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ খাতে অসমের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে রোডম্যাপ তৈরি হল। মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা কেন্দ্রীয় মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ উন্নয়নমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং ওরফে লালন সিং-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা আসামের মৎস্য, পশুপালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন খাতের ব্যাপক সম্ভাবনা উপলব্ধি করি। আমরা প্রায়ই এই কথা বলেছি এবং অনেক গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নিয়েছি। আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে কিছু ফলপ্রসূ মুহূর্তের সাক্ষী থাকি।”
আলোচনার মূল দিক
মুখ্যমন্ত্রী জানান, উল্লিখিত প্রতিটি খাতের সম্ভাবনা ব্যবহারের উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রক্রিয়াকরণ পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ, মূল্য শৃংখল উন্নয়ন এবং বাজার সংযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে আসামকে একটি নেতৃস্থানীয় মাছ উৎপাদন ও রফতানিমুখী রাজ্য বানানোর কৌশলের উপর মত বিনিময় হয়।
দুগ্ধ খাত নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নত পশু চিকিৎসা সেবা, পশু চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন, টেট্রাপ্যাক (ইউএইচটি) এবং দুধের পাউডার প্রকল্প, কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে আসামের দুগ্ধ সমবায় বিভাগকে শক্তিশালী করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “আলোচনায় নেওয়া এই পদক্ষেপগুলোকে বাস্তবায়নের মাধ্যমে আসামের কৃষিকাজ ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন গতি দিতে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাবো।”

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লালন সিং এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “আলোচনা উষ্ণ ও ফলপ্রসূ। মৎস্য উৎপাদন, রফতানি, প্রক্রিয়াকরণ, পশু চিকিৎসা, দুগ্ধ ইউনিট — সব দিক নিয়েই কথা হল।” তাঁর মতে, কেন্দ্র-রাজ্যের যৌথ উদ্যোগ কৃষক ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর অতিরিক্ত মুখ্যসচিব কে. কে. দ্বিবেদী, অসম ভবনের রেসিডেন্ট কমিশনার কবিতা পদ্মনাভনসহ মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।












