মুখ্যমন্ত্রীর হাতে গৃহ-বিদ্যুৎ-পি ডব্লিউ ডি-তথ্য ও জনসংযোগ
বরাককণ্ঠপ্রতিবেদন। ৮ জুন : অসমের মাননীয় রাজ্যপাল শ্রীলক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্যের অনুমোদনক্রমে অসম সরকারের মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে বিভাগসমূহ বণ্টন করা হল। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী ড.হিমন্তবিশ্ব শর্মা নতুন দায়িত্ব বণ্টনের কথা জানান। মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে রাখলেন গৃহ ও রাজনৈতিক, পূর্ত বিভাগের বিল্ডিং ও জাতীয় সড়ক, পূর্ত বিভাগের সড়ক, বিদ্যুৎ, তথ্য ও জনসংযোগ, মুদ্রণ ও স্টেশনারি এবং অন্যান্য বরাদ্দবিহীন দপ্তর।
ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা ( মুখ্যমন্ত্রী): গৃহ ও রাজনৈতিক, পূর্ত বিভাগ বিল্ডিং ও জাতীয় সড়ক, পূর্ত বিভাগ সড়ক, বিদ্যুৎ, তথ্য ও জনসংযোগ, মুদ্রণ ও স্টেশনারি, অন্যান্য বরাদ্দবিহীন দপ্তর।
অশোক সিংহল: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা।
অশ্বিনী রায় সরকার: সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন, মাটি সংরক্ষণ, সংখ্যালঘু কল্যাণ ও উন্নয়ন।
অতুল বরা: পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, অসম চুক্তি রূপায়ণ, সীমান্ত সুরক্ষা ও উন্নয়ন, আবগারী।
অজন্তা নেওগ: মহিলা ও শিশু উন্নয়ন, পর্যটন।
বিমল বড়া: সংস্কৃতি বিষয়ক, শিল্প-বাণিজ্য ও সরকারি উদ্যোগ, অ্যাক্ট ইস্ট নীতি বিষয়ক।
বিশ্বজিৎ দৈমারি: হস্ততাঁত-বস্ত্র ও রেশম, ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ, দক্ষতা-কর্মসংস্থান ও উদ্যোগ, আদিবাসী ও জনজাতি বিশ্বাস ও সংস্কৃতি।
চরণ বড়ো: পরিবহন, বড়োল্যান্ড কল্যাণ।
জয়ন্ত মল্ল বরুয়া: অর্থ, পরিবেশ ও বন, খনি ও খনিজ।
কৌশিক রায়: খাদ্য-সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক, আবাসন ও নগর বিষয়ক, সমবায়।
কেশব মহন্ত: রাজস্ব ও বিপর্যয় মোকাবিলা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন, সাধারণ প্রশাসন।
কৃষ্ণেন্দু পাল: জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পার্বত্য অঞ্চল, বরাক উপত্যকা উন্নয়ন।
নীলিমা দেবী: পশুপালন ও পশুচিকিৎসা, মৎস্য।
পীযূষ হাজারিকা: কৃষি, সেচ, সংসদীয় বিষয়ক।
ড.রণোজ পেগু: স্কুল শিক্ষা, উচ্চ শিক্ষা, জনজাতি বিষয়ক সমতল, তথ্যপ্রযুক্তি।
রামেশ্বর তেলী: রূপান্তর ও উন্নয়ন, শ্রম কল্যাণ, চা জনজাতি ও আদিবাসী কল্যাণ।
সুশান্ত বরগোহাঁই: জলসম্পদ, বিচার বিভাগ।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য: ‘টিম অসম’র সকল সতীর্থকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালাম। নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতার সাথে আমরা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অসম ও অসমের জনগণের সেবা করে যাওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের উন্নয়ন ও বিকাশের যাত্রাকে আরও গতিশীল করতে সক্ষম হব।
বরাকের জন্য বরাদ্দ: বরাক উপত্যকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর পেলেন কৃষ্ণেন্দু পাল। তিনি পেলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পার্বত্য অঞ্চল ও বরাক উপত্যকা উন্নয়ন দপ্তর। পরিবেশ ও বন দপ্তর থাকায় বরাকের পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন জয়ন্ত মল্ল বরুয়া।












