,

বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে উজনির বান দেখলেন রাজ্যপাল, জলবন্দি লাখো মানুষ

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। ডিব্রুগড় : টানা বৃষ্টি আর ব্রহ্মপুত্রের জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে উজনি অসম। বিভিন্ন এলাকা এখন জলের নিচে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি আকাশপথে সরেজমিনে দেখলেন রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য। বায়ুসেনার বিশেষ হেলিকপ্টারে চেপে বানবিধ্বস্ত জেলাগুলির ওপর দিয়ে উড়ান চালান তিনি। হেলিকপ্টারের জানালা দিয়ে তিনি যা দেখলেন তা রীতিমতো ভয়াবহ। আকাশ থেকে যে ছবি ধরা পড়ল: চারদিকে…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। ডিব্রুগড় : টানা বৃষ্টি আর ব্রহ্মপুত্রের জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে উজনি অসম। বিভিন্ন এলাকা এখন জলের নিচে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি আকাশপথে সরেজমিনে দেখলেন রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য।

বায়ুসেনার বিশেষ হেলিকপ্টারে চেপে বানবিধ্বস্ত জেলাগুলির ওপর দিয়ে উড়ান চালান তিনি। হেলিকপ্টারের জানালা দিয়ে তিনি যা দেখলেন তা রীতিমতো ভয়াবহ।

আকাশ থেকে যে ছবি ধরা পড়ল:
চারদিকে শুধু থৈ থৈ জল। নদী, খাল, মাঠ, রাস্তা সব এক হয়ে গেছে। উঁচু জায়গা আর গাছপালা ভরা গ্রামগুলো দ্বীপের মতো ভেসে আছে। কিছু বাড়ির চালা আর গাছের মাথা ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বহু গ্রাম কার্যত বিচ্ছিন্ন। পরিদর্শনের পর রাজ্যপাল জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, “এখন মানুষের প্রাণ বাঁচানোই সবচেয়ে বড় কাজ। ত্রাণ, পানীয় জল, ওষুধ এবং আশ্রয়ের যাতে কোনও ঘাটতি না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি এনডিআরএফ, এসডিআরএফ এবং বায়ুসেনার উদ্ধারকারী দলের কাজের প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণের কাজ আরও দ্রুত করার নির্দেশ দেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই বহু এলাকায় ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। নৌকা এবং হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনার কাজ চলছে।

বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি না হয় সেদিকে নজর রাখতে রাজ্যপাল প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *