,

দ্বিতীয় দিনেও সেবা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

নয়াদিল্লি, ২৫ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ফের সেবা যাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করবেন। ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর অধীনে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী থেকে গুজরাটের ভাদনগর পর্যন্ত যাত্রা করছেন এই সেবা যাত্রীরা। আকাশবাণী সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই আলাপচারিতায় যাত্রীরা তাদের যাত্রাপথের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এই যাত্রার মূল উদ্দেশ্য হল যুব…

নয়াদিল্লি, ২৫ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ফের সেবা যাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করবেন। ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর অধীনে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী থেকে গুজরাটের ভাদনগর পর্যন্ত যাত্রা করছেন এই সেবা যাত্রীরা।

আকাশবাণী সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই আলাপচারিতায় যাত্রীরা তাদের যাত্রাপথের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এই যাত্রার মূল উদ্দেশ্য হল যুব সমাজের অংশগ্রহণ এবং সামাজিক সেবাকে বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই সেবা যাত্রা প্রধানমন্ত্রী মোদীর ২৫ বছরের জনজীবনকে তুলে ধরার জন্য আয়োজিত ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর একটি অংশ। অংশগ্রহণকারীরা শহর, জেলা, তালুক এবং গ্রামের মধ্যে দিয়ে যাত্রা করছেন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হল সামাজিক সেবা এবং জনসম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রমকে তৃণমূল স্তরে নিয়ে যাওয়া। এটি শুধু একটি মোটরসাইকেল অভিযান নয়, এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে সেবা, যোগাযোগ, যুব অংশগ্রহণ, সমাজকল্যাণ, সাংস্কৃতিক সংযোগ এবং সামাজিক সংহতিকে একত্রিত করা হচ্ছে।

বারাণসী থেকে ভাদনগর এবং ভাদনগর থেকে বারাণসী— দুই দিক থেকেই মোটরসাইকেলে যাত্রা করছেন তরুণরা। যাত্রাপথে তারা একাধিক রাজ্য, জেলা ও গ্রাম অতিক্রম করছেন। এই সময়ে সেবা যাত্রীরা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মিশছেন এবং বিভিন্ন সেবামূলক কাজে অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে স্বচ্ছতা অভিযান, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং স্কুল, হাসপাতাল, নার্সিং হোম ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কার্যক্রম। এই যাত্রা ৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

উল্লেখ্য, বুধবার প্রধানমন্ত্রী ভাদনগর থেকে বারাণসীগামী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের এই যাত্রাকে তৃণমূল স্তরে জাতি গঠনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে প্রশংসা করেন। আলাপচারিতায় তিনি অংশগ্রহণকারীদের পথের অভিজ্ঞতা, মানুষের সঙ্গে মেলামেশা এবং নতুন কী শিখলেন তা নিয়ে জানতে চান। নিজের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং ক্রমাগত স্থান পরিবর্তনের মতো কষ্টের মধ্যে দিয়েও এই যাত্রা তরুণ প্রজন্মকে দেশের বৈচিত্র্য বুঝতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, যাত্রা মানে শুধু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া নয়, মানুষের সঙ্গে দেখা করা, সমাজকে বোঝা এবং সেবার মনোভাবকে কাজে পরিণত করা। এই সেবা যাত্রীদের প্রচেষ্টাকে ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার বৃহত্তর লক্ষ্যের সঙ্গে যুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *