বিশেষ প্রতিবেদন : নাম না করেও পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঞ্চে তখন সামনের সারিতেই বসে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
কিরগিজস্তানের বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে মঙ্গলবার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে মুখ খোলেন মোদী। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কোনও দ্বিচারিতা মেনে নেওয়া হবে না। যারা মুখে শান্তির কথা বলে আর আড়ালে জঙ্গিদের আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধে গোটা বিশ্বকে একসুরে কথা বলতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনও দেশ সন্ত্রাসকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসাবে ব্যবহার করতে পারে না। জঙ্গিদের মদত দেওয়া বন্ধ করতেই হবে।
যদিও বক্তব্যে একবারও পাকিস্তানের নাম নেননি তিনি, কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে তাঁর নিশানা ছিল স্পষ্টতই ইসলামাবাদ।
এদিনের বক্তব্যে বিশ্বে চলা যুদ্ধ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মোদী। তিনি বলেন, আজ বিশ্বের সব দেশ একে অপরের সঙ্গে জড়িত। এক জায়গায় যুদ্ধ হলে তার ধাক্কা লাগে সবখানে। তেলের জোগান, সমুদ্রপথে ব্যবসা, নিত্যপণ্যের সরবরাহ সবকিছুই ব্যাহত হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় গরিব ও উন্নয়নশীল দেশগুলি। তাই যুদ্ধ নয়, আলোচনার টেবিলেই সমাধান খুঁজতে হবে।
এর আগে সোমবার সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন মোদী। পুতিনকে তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি বুদ্ধ ও গান্ধীর দেশ থেকে শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছেন, ইউক্রেনে দ্রুত যুদ্ধ থামা দরকার।












