বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান অভিযোগ করেন রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে চলা আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে ছাত্রদের নিয়ে রাজনীতি করছে। তিনি বলেন বিরোধীরা সমাধানের পথে না গিয়ে বিষয়টিকে রাজনৈতিক রং দিচ্ছে।

একই দিনে দিল্লিতে সরকার বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব নিজেদের হাতে তুলে নেয় প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের সামনে অবস্থান করেন। তার সঙ্গে ছিলেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব সহ অন্যান্য শীর্ষ বিরোধী নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে অবস্থানের সময় পুলিশ রাহুল গান্ধীকে সাময়িকভাবে আটক করে।
এদিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে দিল্লির কেন্দ্রে যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির অবস্থান স্থলে আবারও হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। সোমবার সন্ধ্যায় নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে টেন্ট এবং মূল মঞ্চের অংশ ভেঙে দিয়ে এলাকা প্রায় ফাঁকা করে দিয়েছিল। কিন্তু সোমবার রাতেই কয়েকশো মানুষ ফিরে আসেন এবং মঙ্গলবার ভিড় আরও বাড়ে। সিজেপি শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে অনড় রয়েছে।
আলোচনার বিষয়ে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে বলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে সিজেপি দলের বৈঠক সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছুই নয়। তার অভিযোগ সরকার ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে আন্তরিক নয়।

অন্য দিকে সক্রিয় কর্মী সোনম ওয়াংচুককে সেদিন সকালে সফদরজং হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে আরও চিকিৎসার জন্য তাকে গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে আধিকারিকরা জানান।
সোমবার দিল্লির কেন্দ্রে বড় বিক্ষোভের সময় পুলিশের লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের ঘটনার নিন্দা করে মঙ্গলবার বিরোধী দলগুলি ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আন্দোলন দ্বিতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে।












