,

উর্দু ভারতীয় ভাষা, বাইরে থেকে আসেনি: মুরলী মনোহর যোশী

বাজপেয়ী জমানায় মুসলিমদের উর্দুতে কোরান পড়তে উৎসাহ দেওয়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ, পাঞ্জাবে হিন্দু-শিখ ঐক্যে ভিএইচপি’র ‘সাঁঝিওয়ালতা’ অভিযান বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি: রাজনীতি ও শিক্ষাক্ষেত্রে ভাষা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মুরলী মনোহর যোশী জোর দিয়ে বললেন, “উর্দু ভারতীয় ভাষা। এর জন্ম ভারতের বাইরে নয়।” তিনি আরও…

বাজপেয়ী জমানায় মুসলিমদের উর্দুতে কোরান পড়তে উৎসাহ দেওয়ার উদ্যোগকে সাধুবাদ, পাঞ্জাবে হিন্দু-শিখ ঐক্যে ভিএইচপি’র ‘সাঁঝিওয়ালতা’ অভিযান

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি: রাজনীতি ও শিক্ষাক্ষেত্রে ভাষা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মুরলী মনোহর যোশী জোর দিয়ে বললেন, “উর্দু ভারতীয় ভাষা। এর জন্ম ভারতের বাইরে নয়।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলাও ভারতীয় উপমহাদেশেই জন্ম নিয়েছে।”

বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন যোশী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চি শঙ্করাচার্য বিজয়েন্দ্র সরস্বতী। তিনি পাঞ্জাবে হিন্দু-শিখ ঐক্য জোরদার করতে ‘সাঁঝিওয়ালতা’ অভিযান চালুর ঘোষণা দেন।

যোশী এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “সেই সময় ভারতীয় মুসলিমদের আরবির বদলে উর্দুতে কোরান পড়তে উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল। এটা সঠিক পদক্ষেপ ছিল।”

পাঞ্জাবে মন্দির সংস্কারে ট্রাস্ট, ধর্মান্তর রোধে জোর ভিএইচপি’র
অনুষ্ঠানে কাঞ্চি শঙ্করাচার্য পাঞ্জাবে মন্দির সংস্কার ও সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠনের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “হিন্দু ও শিখদের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য একই।”

পাঞ্জাবে কথিত ধর্মান্তর নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ তাদের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়াচ্ছে। প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে মন্দির পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ, ঐতিহাসিক উপাসনাস্থল সংরক্ষণ, বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং হিন্দু-শিখদের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করা। সূত্রের খবর, আলোচনায় জনসংখ্যার প্রবণতা ও ধর্মান্তর রোধের উপায় নিয়েও কথা হয়েছে।

ভিএইচপি সভাপতি অলোক কুমার বলেন, “সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশ দীর্ঘমেয়াদী চ্যালেঞ্জ। ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতির ক্ষয় রোধ করতে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই কাজ করতে হবে, শুধু রাজনীতি দিয়ে হবে না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *