,

অপারেশন সিঁদুর: “আকাশে-পাতালে-নরকে যেখানেই থাকুক, ছাড়ব না” – মোদীর নির্দেশ ফাঁস করলেন দোভাল

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি: পহেলগাঁওয়ের বৈসরণে জঙ্গি হামলার জবাবে ভারতের পাল্টা অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’। শুধু সেনার পরাক্রম নয়, গোটা দেশের কাছে এটি এখন গর্বের প্রতীক। এবার সেই অভিযান নিয়ে সবচেয়ে বড় তথ্য সামনে আনলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। ‘ডিক্লাসিফায়েড: অপারেশন সিঁদুর’ ডকুসিরিজে তিনি জানান, হামলার পর সৌদি আরব থেকে ফিরেই বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে…

বরাককণ্ঠ প্রতিবেদন। নয়াদিল্লি: পহেলগাঁওয়ের বৈসরণে জঙ্গি হামলার জবাবে ভারতের পাল্টা অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’। শুধু সেনার পরাক্রম নয়, গোটা দেশের কাছে এটি এখন গর্বের প্রতীক। এবার সেই অভিযান নিয়ে সবচেয়ে বড় তথ্য সামনে আনলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

‘ডিক্লাসিফায়েড: অপারেশন সিঁদুর’ ডকুসিরিজে তিনি জানান, হামলার পর সৌদি আরব থেকে ফিরেই বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। সেখানেই ঠিক হয়ে যায় পরবর্তী পদক্ষেপ।

বিমানবন্দরেই জরুরি বৈঠক
২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল বৈসরণে জঙ্গিরা ২৬ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। খবর পেয়ে সফর অসম্পূর্ণ রেখে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। দোভাল বলেন, “বিদেশ সচিব তাঁকে নিতে গিয়েছিলেন। বিমানবন্দরেই আমাদের মিটিং। প্রধানমন্ত্রীর প্রথম প্রশ্ন ছিল – কারা করেছে? অপরাধীদের পরিচয় আমার এখনই চাই।”

গোয়েন্দা সংস্থার দ্রুত কাজের প্রশংসা করে মোদী বলেন, “খুব কম সময়ে আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনী দারুণ কাজ করেছে।”

কড়া বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী
দোভালের কথায়, সেদিন প্রধানমন্ত্রী কোনও রাখঢাক করেননি। তাঁর নির্দেশ ছিল স্পষ্ট –
“বৈসরণের হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা আছে, তাদের একটাকেও ছাড়া হবে না। সে আকাশে থাকুক, পাতালে থাকুক, নরকে গিয়ে লুকোলেও খুঁজে বের করা হবে।”
আবারও তিনি বলেন, “জমিতে, আকাশে, পাতালে – যেখানেই থাকুক, আমরা ওদের ছাড়ব না।”

দোভাল জানান, এটি শুধু কথা ছিল না। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা ছিল। “প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন অপারেশন সিঁদুর এখনও চলছে, তার মানে শেষ জঙ্গিকে শেষ করা পর্যন্ত এই অভিযান চলবে,” বলেন তিনি।

পাল্টা জবাব ৭ মে রাতে
সেই নির্দেশের পরই ৭ মে গভীর রাতে ভারতীয় সেনা সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গিঘাঁটিগুলিতে আঘাত হানে। ধ্বংস করে দেওয়া হয় একাধিক লঞ্চপ্যাড।

সেই দিনের পর থেকে ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুধু একটি সামরিক অভিযান নয়, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর আত্মসম্মানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *